টেস-এর মা উপহার পাঠালেন মিঠাইকে, কী প্রতিক্রিয়া হল মিঠাইয়ের?

নামের মতোই মিষ্টি এই ধারাবাহিকও। শুরু হওয়ার দিন থেকেই সকলের মন জয় করেছে এই ধারাবাহিক। শুধু কী তাই, টিআরপির তালিকায় প্রথম স্থান থেকে মোটেই সরানো যাচ্ছে না এই ধারাবাহিককে। হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছেন, কথা হচ্ছে ‘মিঠাই’ ধারাবাহিককে নিয়েই।

এই ধারাবাহিকের মুখ্য চরিত্র হল সিড অর্থাৎ সিদ্ধার্থ ও মিঠাই। সিডের চরিত্রে অভিনয় করছেন আদৃত রায় ও মিঠাইয়ের চরিত্রে দেখা যাচ্ছে সৌমিতৃষা কুণ্ডুকে। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র রয়েছে এই ধারাবাহিকে, সেটা হল তোর্সা ওরফে টেস, সিডের বন্ধু। এই চরিত্রে দেখা যাচ্ছে তন্বী লাহা রায়কে।

আরও পড়ুন- কোর্টে মিঠাইয়ের উপর একের পর এক মিথ্যে অভিযোগ আনল রেবতী, মেনে নেবে কী সিড?

এখন এই ধারাবাহিকে চলছে সিড ও মিঠাইয়ের ডিভোর্স পর্ব। সিডের হয়ে মামলা লড়ছেন টেসের মা রেবতী। বেশ টানটান উত্তেজনা। রেবতী চান না সিড ও মিঠাইয়ের বিয়েটা টিকুক। তাদের ডিভোর্স হলেই তাঁর মেয়ে টেসের সঙ্গে সিডের বিয়ে দিতে চায় সে।

কিন্তু এরই মধ্যে ঘটল এ ঘটনা। হঠাৎই টেসের মা মিঠাইয়ের জন্য নানান উপহার পাঠালেন, আর সেই উপহার সানন্দে গ্রহণও করল মিঠাই। হঠাৎ নতুন কী সমীকরণ তৈরি হচ্ছে এই ধারাবাহিকে, তা জানতে উৎসুক দর্শক।

তবে ব্যাপারটা একটু আলাদা। এক্ষেত্রে টেসের মা মিঠাইকে উপহার পাঠিয়েছেন ঠিকই কিন্তু তিনি রেবতী নন। কী সব গুলিয়ে যাচ্ছে? না না ঘাবড়াবেন না। টেস অর্থাৎ তন্বীর আসল মা সুদেষ্ণা লাহা রায় মিঠাই অর্থাৎ সৌমিতৃষার জন্য উপহার পাঠিয়েছেন।

আরও পড়ুন- ‘কর্তা-গিন্নি এক গাড়িতে চেপেই চলল ডিভোর্স করতে’, সিড-মিঠাইয়ের কাণ্ডকারখানা দেখে হেসেই খুন দর্শক

তন্বীর মা নিজের হাতে নানান প্রসাধনী দ্রব্য, গয়না তৈরি করেন। সেই সমস্ত নিজের হাতে বানানো জিনিসই সৌমিতৃষাকে পাঠালেন তন্বীর মা। এই উপহার পেয়ে ভীষণ খুশি সৌমিতৃষাও। সেই সমস্ত জিনিসের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে তন্বীর মা সুদেষ্ণা লাহা রায়কে অনেক ধন্যবাদ জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by SOUMITRISHA (@soumitrishaofficial)

তাঁর যে এই ধরণের হাতে তৈরি জিনিস ভীষণ ভালো লাগে, তা-ও জানান সৌমিতৃষা। অভিনেত্রীর এই পোস্টে কমেন্ট করেছেন অনেকেই। উপহারগুলো যে সত্যিই খুব সুন্দর, এও জানিয়েছেন তারা। অনস্ক্রিনে টেস বা তাঁর মা মিঠাইকে পছন্দ না করলেও, বাস্তব জীবনে যে তন্বী ও তাঁর মা সৌমিতৃষাকে বড্ড ভালোবাসেন, তা বেশ স্পষ্ট।

RELATED Articles