‘আমি চাকরি দেব, কথা দিলাম’, কঙ্গনাকে চড় মারা কাণ্ডে অভিযুক্ত মহিলা জওয়ানের পাশে দাঁড়ালেন সুরকার বিশাল দাদলানি

লোকসভায় লড়েছেন কঙ্গনা রানাউত। মাণ্ডি লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে জয়ী হয়েছেন অভিনেত্রী। তার মধ্যেই নয়া বিতর্ক। চণ্ডীগড় বিমানবন্দরে কঙ্গনা রানাউত চড় মেরেছেন এক সিআইএসএফ জাওয়ান কুলবিন্দর কৌর। সেই ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। কঙ্গনা রানাউতকে চড় মারার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল দেশ। এই ঘটনা‌কে নিয়েই উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। এই ঘটনায় ভাগ‌ হয়ে গিয়েছে সমাজ। কেউ কঙ্গনার পক্ষ নিচ্ছেন, আবার কেউ সিআইএসএফ জওয়ানকে সমর্থন করছেন।

সমাজমাধ্যমে ঘটনার ভিডিয়ো পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, “কোনও রকম হিংসার ঘটনা সমর্থন করি না আমি। কিন্তু নিরাপত্তারক্ষীর রাগের কারণ বুঝতে পারছি।” উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে উল্টো সুরে কথা বললেন বলিউডের গায়ক বিশাল দাদলানি। কঙ্গনাকে চড় মারা ওই মহিলা সিআইএসএফ জওয়ান-এর পাশে দাঁড়ালেন বিশাল।

আবার, এই ঘটনায় চাকরি হারালে, তাকে কাজ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বিশিষ্ট সুরকার। সোশ্যাল মিডিয়া পেজে তিনি জানিয়েছেন সেই কথা। বিমানবন্দরের স্ক্রিনশট শেয়ার করে বিশাল দাদলানি লিখেছেন, ‘আমি কোনও রকম হিংসাকে সমর্থন করি না। নিরাপত্তারক্ষীর রাগের কারণ বুঝতে পারছি। সিআইএসএফ-এর তরফে কুলবিন্দর কউরের প্রতি কোনও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হলে অর্থাৎ চাকরি কেড়ে নেওয়া হলে ওঁর জন্য চাকরি অপেক্ষা করছে। এটা আমি আশ্বস্ত করছি। তবে অবশ্যই সেই চাকরির প্রস্তাব যদি গ্রহণ করেন।’ পোস্টের শেষে রয়েছে স্লোগান, ‘জয় হিন্দ, জয় জওয়ান, জয় কিসান’।

'আমি চাকরি দেব, কথা দিলাম', কঙ্গনাকে চড় মারা কাণ্ডে অভিযুক্ত মহিলা জওয়ানের পাশে দাঁড়ালেন সুরকার বিশাল দাদলানি

সিআইএসএফ জাওয়ান কুলবিন্দর কউরের দাবি, অতীতে কৃষক আন্দোলন সম্পর্কে কঙ্গনার মন্তব্যের জন্য তাকে চড় মেরেছেন। ঘটনার পর মুখ খুলেছেন কঙ্গনা রানাউত। এই পরিস্থিতিতে কঙ্গনা রানাউত সোশ্যাল মিডিয়ায় বলিউডের প্রতি অভিমানে স্টোরি শেয়ার করেছেন। ভিডিওতে সাংসদ জানান, ‘ঘটনার পর থেকে মিডিয়া এবং শুভানুধ্যায়ীদের অনেক ফোন পাচ্ছি। সকলকে জানাচ্ছি, আমি নিরাপদে রয়েছি। সুস্থ রয়েছি। চণ্ডীগড় বিমানবন্দরে সিকিউরিটি চেকিংয়ের সময় এই ঘটনাটি ঘটে। চেকিংয়ের পর দ্বিতীয় কেবিনে দাঁড়িয়ে থাকা মহিলা জওয়ান আমায় থাপ্পড় মারেন। গালাগাল করতে শুরু করেন।’ কঙ্গনা আরও বলেছেন, ‘আমি প্রশ্ন করি, এমনটা কেন করলেন তিনি? উনি নিজেকে কৃষক আন্দোলনের সমর্থনকারী বলেন উল্লেখ করেন। আমি নিরাপদ কিন্তু, পঞ্জাবে বাড়তে থাকা এই সন্ত্রাসবাদ এবং উগ্রপন্থা নিয়ে সত্যিই উদ্বিগ্ন।’

RELATED Articles