সুশান্ত সিং রাজপুত (Sushant Singh Rajput) মৃত্যু রহস্য এখন ক্রমশ মাদক রহস্যে পরিণত হয়েছে। আর এই তদন্তে এক প্রকার সফট টার্গেটে হচ্ছেন মহিলারা। বিশেষত অভিনেত্রীরাই।
যেখানে চোখের সামনে ঘুরে বেড়াচ্ছে ড্রাগ ডিলাররা (Drug Dealer)। ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্যের অলিতে-গলিতে যেখানে মেলে গাঁজা সেখানে হঠাৎ করে বলিউডি অভিনেত্রীদের ‘গঞ্জিকা সেবনে’ কেনও এত তৎপর হয়ে উঠেছে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো(Narcotics control Bureau)? নিষিদ্ধ দ্রব্য সেবন নিয়ে এনসিবির এই তৎপরতা ভারতজুড়ে শুরু হলে ১৩০ কোটির দেশের অনেক মানুষকেই সোজা জেলের পথে হাঁটা লাগাতে হবে।
এনসিবির তদন্ত দেখে মনে হচ্ছে বলিউডের শুধুমাত্র অভিনেত্রীরাই নিষিদ্ধ দ্রব্য সেবন করে থাকেন। কারণ এখনও পর্যন্ত সুশান্ত মৃত্যু মামলা থুরি মাদক মামলায় শুধুমাত্র সমন পাঠানো হয়েছে অভিনেত্রীদেরই। আর এই প্রশ্ন সবার সামনে তুলেছেন বাংলার অভিনেত্রী সাংসদ মিমি চক্রবর্তী (Mimi Chakraborty)। পুরুষদের ধোয়া তুলসী পাতা আখ্যা দিয়ে মিমি কটাক্ষ করেন এই পিতৃতান্ত্রিক (Patriarchal) সমাজকে।
মিমি টুইটে লেখেন, ‘পিতৃতন্ত্রের অধিকারি বলিউডের মহিলারা হাশ সহ বিভিন্ন নিষিদ্ধ মাদক নেন। আর পুরুষেরা তো একেবারে স্বচ্ছ, তাঁরা বাড়িতে রান্না করেন ও ঘর পরিস্কার করেন। তাঁদের কোনও দোষ নেই। তাঁরা শুধু তাঁদের সহধর্মিনীদের জন্য চোখে জল নিয়ে, হাত জোড় করে প্রার্থনায় বলেন যে ইশ্বর ওদের রক্ষা করো।’ মিমির এই টুইট যে বেশ ব্যাঙ্গাত্মক তা দেখেই বোঝা যাচ্ছে। অভিনেত্রীর মতে, বলিউডে শুধু মহিলারাই নয় পুরুষরাও মাদক সেবন করেন।
https://twitter.com/mimichakraborty/status/1309111311729659906?s=20
বলিউডে মাদক যোগ নিয়ে তরজা তুঙ্গে সেখানে বেঁচে থাকলে আজ সুশান্তকেও জেলে থাকতে হত বলে মন্তব্য করেছেন তারই বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তী। কথাটা হয়ত ১০০ ভাগই সত্যি! যেখানে শুধুমাত্র সুশান্তের বাড়িতে শেষ ২০১৯ সালে পার্টি করার জন্য সমন পেলেন শ্রদ্ধা, সারারা। মৃত্যু মামলায় কোন রকম যোগ না থাকা সত্ত্বেও হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে দীপিকা পাড়ুকোনকে (Deepika Padukone) সেখানে পিতৃতান্ত্রিক সমাজের এই একচোখামিকেই বিধেঁছেন মিমি।
প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য যে কঙ্গনা রানাওয়াত (kangana ranaut) মাদক সেবনের জন্য দীপিকা পাড়ুকোনকে তীর্যকভাবে বিদ্ধ করেছেন তারই ইনস্টাগ্রাম ভিডিও বলছে একটা সময় নিয়মিত মাদকদ্রব্য নিতেন তিনিও। এনসিবির নজর কি তার ওপরেও পড়বে? নাকি বিশেষ রাজনৈতিক দলের সমর্থক হওয়ার জন্য বেঁচে যাবেন তিনি?
প্রশ্ন উঠছে!





