‘আমি ওঁর উপর পুরোটাই নির্ভরশীল, সবকিছু ও’, নতুন প্রেমে হাবুডুবু প্রিয়াঙ্কা, দিদি নাম্বার ১-এর মঞ্চে বিয়ের দিন ফাঁস করলেন ‘অষ্টমী’র মাধবীলতা

দিদি নাম্বার ওয়ান (Didi No 1) বাংলা অন্যতম জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো। দিদি নাম্বার ওয়ান মানে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় কে ছাড়া আর কিছু ভাবা যায় না। রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঞ্চালনা দিদি নাম্বার ওয়ানকে এক অন্য পর্যায়ে নিয়ে গেছে।‌ দিদি নাম্বার ওয়ান সোম থেকে শনি বিকেল পাঁচটায় সম্প্রচারিত হয়।‌ রবিবার রাত আটটা থেকে দেখা যায় এই শো।

দিদি নম্বর ওয়ানের (Didi No 1) মঞ্চে খেলতে এসেছেন অষ্টমী ধারাবাহিকের কলাকুশলীরা। ৮ ই এপ্রিল থেকে জি বাংলার পর্দায় শুরু হয়েছে অষ্টমী ধারাবাহিক। সন্ধ্যার সাড়ে ছটায় টিভির পর্দায় দেখা যাবে এই ধারাবাহিক। এই ধারাবাহিকে মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন ঋতবৃতা দে এবং সপ্তর্ষি মৌলিক। মাধবীলতা নামের চরিত্রে থাকবেন প্রিয়াঙ্কা।

দিদি নং ১-এর (Didi No 1) মঞ্চে বিয়ের তথ্য ফাঁস

দিদি নাম্বার ওয়ান (Didi No 1) এর মঞ্চে হাজির হয়েছিলেন এই ধারাবাহিকের মাধবীলতা ওরফে প্রিয়াঙ্কা মিত্র। দিদি নাম্বার ওয়ান এর মঞ্চ খেলতে এসে নিজের বিয়ের কথা প্রসঙ্গে একাধিক তথ্য জানালেন অভিনেত্রী। দিদি নাম্বার ওয়ান এর মঞ্চে প্রিয়াঙ্কা মিত্র অষ্টমী ধারাবাহিকে তার চরিত্র সম্পর্কে কথা বলেন। অষ্টমী ধারাবাহিকে প্রিয়াঙ্কার চরিত্রটি তার বরের ওপর নির্ভরশীল, অভিনেত্রী জানিয়েছেন বাস্তবে ও অভিনেত্রী এপ্রকারই।

অভিনেত্রীর কথায়, ‘আমি আমার প্রেমিকের উপর ভীষণই নির্ভরশীল। পরিবারের পরেই সে। আসলে আমার পৃথিবীতে এখন চারজন। মা, বাবা, দাদা আর সে।’ প্রিয়াঙ্কার মুখে এসব কথা শুনে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় জিজ্ঞেস করেন তাদের বিয়ে কবে? সেই প্রশ্নের উত্তরে প্রিয়াঙ্কা জানিয়েছেন, ‘এখনও কিছু ঠিক নয়। এই বছরও করতে পারেন। আবার পরেও।’

কাকে ভয় পান অভিনেত্রী?

দিদি নাম্বার ওয়ান (Didi No 1) এর মঞ্চে এদিন প্রিয়াঙ্কা জানান তিনি ভূতে ভয় পান। এরপর অভিনেত্রী তার সাথে ঘটে যাওয়া একটি ভুতুড়ে অভিজ্ঞতার কথা সবার সাথে শেয়ার করে নেন। প্রিয়াঙ্কা বলেন ‘একবার বোলপুরে গিয়েছি শ্যুটিংয়ে। আমি আর আমার সঙ্গে যে মেয়েটি ছিল আমরা আমাদের ঘরে ঢুকেই প্রথম দিন একটা মাংসপোড়া গন্ধ পাই। তারপর থেকে বাথরুমে গেলে আয়নায় মুখ দেখতে পারতাম না, মনে হতো কেউ ঘাড় ধরে রেখেছে। চিৎকার শুনতে পেতাম, যেন কেই আর্তনাদ করছে। কিন্তু এটা খালি আমরা দুজন শুনতে পেতাম আর কেউ না। একদিন পাশ ফিরে শুতে গিয়ে দেখি একটি ভয়াল দর্শন মহিলা আমার দিকে তাকিয়ে বসে আছেন। তারপর বাড়ি ফিরে আমার ধুম জ্বর। বাড়ি ফিরেও তাকে দেখেছিলাম। তারপর থেকে এই ভয়টা আরও বেড়ে গিয়েছে।’

RELATED Articles