সামনের মাসে বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। ভোটের আগে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ইতিমধ্যেই উত্তেজনাপূর্ণ। সম্প্রতি দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে নতুন ইস্যু তৈরি হয়েছে। ভারতের পদক্ষেপ বাংলাদেশে কূটনীতিকদের জন্য নতুন ধরনের উদ্বেগ তৈরি করেছে। এই পরিস্থিতিতে ঢাকায় তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
ভারতের সরকার সম্প্রতি বাংলাদেশে ভারতীয় কূটনীতিকদের জন্য ‘নন ফ্যামিলি পোস্টিং’ নির্দেশ দিয়েছে। অর্থাৎ, ঢাকায় থাকা ভারতের কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের ভারতে ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপ নিয়ে বাংলাদেশের প্রশাসন ভাবছে, তবে কোনোরকম শঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ইস্যু নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রকের উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, “নিরাপত্তা নিয়ে কোনোরকম সমস্যা নেই। তবে ভারতের এই পদক্ষেপ কি ধরনের সংকেত দিচ্ছে, তা আমরা একেবারেই বুঝতে পারছি না।” তিনি আরও যোগ করেন, “এটা তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। তারা চাইলে তাদের কর্মচারীদের পরিবারের সদস্যদের দেশে ফিরিয়ে দিতে পারে। তবে আমি এর মধ্যে কোনো বিশেষ কারণ খুঁজে পাইনি।”
উল্লেখযোগ্য, বাংলাদেশের উপদেষ্টা জানিয়েছেন যে, ঢাকায় কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি বা হুমকি নেই। ভারতের দূতাবাসও ঢাকাকে আগাম কোনো নিরাপত্তা সম্পর্কিত সতর্কতা জানাননি। তৌহিদ হোসেন বলেন, “আমাদের দিক থেকে এ ব্যাপারে কিছু করার নেই। তারা যদি তাদের পরিবারকে ফেরত নিতে চান, আমরা বাধা দিতে পারব না।” এই মন্তব্য স্পষ্ট করে যে, ঢাকা এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক কোনো সংকেত হিসেবে দেখছে না।
আরও পড়ুনঃ Home Secretary: পাঁচবার রিমাইন্ডার দিলেও তালিকা না পেয়ে স্বরাষ্ট্র সচিবসহ ২৫ অফিসারকে ভিনরাজ্যে পাঠানোর নির্দেশ কমিশনের!
অন্যদিকে, বাংলাদেশে ভোটকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। গত মাসে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা ওসমান হাদির মৃত্যু ও হিংসার খবরগুলি জনগণের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। তবে তৌহিদ হোসেন বলেছেন, “অতীতের নির্বাচনের তুলনায় এখন সংঘর্ষ বেশি হচ্ছে, আমি এমন মনে করি না।” ভোটের আগে এমন পরিস্থিতিতে ভারতের পদক্ষেপ নিয়ে উভয় দিকেই কৌতূহল তৈরি হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত তা কোন প্রভাব ফেলেছে বলে মনে হয় না।





