ফের ভারতীয় সংস্থায় বিনিয়োগ করল পিপলস ব্যাঙ্ক অফ চায়না। প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের আত্মনির্ভর ‘ভারত’ আত্মনির্ভরতার পথে চলার আগেই ধাক্কা খেলো। এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের দেখানো পথেই হাঁটলো আইসিসিআই।
চীনের কেন্দ্রীয় সংস্থার এই বিনিয়োগ নিয়ে রীতিমতো গুঞ্জন তৈরি হয়েছে দেশের রাজনৈতিক মহলে। দেশজুড়ে যখন চীনা পণ্য বয়কট করতে চাইছেন আমজনতা, সেই তখনই দেশীয় ব্যাঙ্কে চীনা বিনিয়োগ গ্রহণ করা হল কেন? প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিরোধীপক্ষ।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, লাদাখ সীমান্তে শুরু হওয়া ভারত-চীন অশান্তি এখনও মেটেনি। গালওয়ান সীমান্ত সংঘর্ষের পর দেশজুড়ে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক ওঠে। এমনকী, ভারত সরকার ডিজিটাল স্ট্রাইকের সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে ভারত ছাড়তে হয় টিকটকের মতো জনপ্রিয় অ্যাপকেও। কিন্তু আসল চেহারাটা একটু আলাদা। বস্তুত দেখা যাচ্ছে চীনা সরকার এবং ভারতে চীনের বিনিয়োগের শিকড় আরও গভীরে। বিরোধীদের আশঙ্কা, ব্যাপক আর্থিক মন্দার জেরে বহু ভারতীয় সংস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং এই পরিস্থিতির সুযোগ নিচ্ছে জিনপিংয়ের দেশ।





