অনলাইন দুনিয়ায় নতুন বিতর্কের ঝড়। এক হোটেল বুকিং সংস্থাকে বয়কটের ডাক উঠেছে সমাজমাধ্যমে। ফেসবুক, টুইটার (X) সহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ‘#BoycottOYO’ ট্রেন্ড করছে। অসংখ্য মানুষ এই সংস্থার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন, দাবি উঠেছে নিষেধাজ্ঞার। হঠাৎ কেন এমন পরিস্থিতি? কী এমন ঘটল, যার ফলে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় হসপিটালিটি সংস্থা এই বিপাকে পড়ল?
মূলত, একটি বিজ্ঞাপন ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। ভারতের এক নামী হিন্দি সংবাদপত্রে ওয়ো-র সাম্প্রতিক বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়। সাধারণত বিভিন্ন সংস্থা নিজেদের পরিষেবা প্রসারের জন্য নানা সৃজনশীল বিজ্ঞাপন বানায়। কিন্তু এই বিশেষ বিজ্ঞাপনই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে সংস্থার জন্য। সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ভাইরাল হয় সেটি। এর পরই সমালোচনার ঝড় ওঠে বিভিন্ন মহলে। কিন্তু কী ছিল ওই বিজ্ঞাপনে?
প্রকাশিত বিজ্ঞাপনে লেখা ছিল, “ভগবান সর্বত্র রয়েছেন।” ঠিক এর পরেই সংস্থা যোগ করেছে, “সে রকম ওয়োও সব জায়গায় রয়েছে।” ঈশ্বরের সঙ্গে ওয়ো-র তুলনা করায় ক্ষুব্ধ বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন। তাঁদের মতে, এটি সরাসরি ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করেছে। তাঁরা দাবি তুলেছেন, ওয়োকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে এবং এই বিজ্ঞাপন অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। না হলে লাগাতার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ৫০০ অ্যাটম বোমার শক্তি! ২২ ডিসেম্বর ২০৩২ কি শেষ হতে পারে কলকাতার ভবিষ্যৎ?
এর মধ্যেই আরও একটি বিতর্ক মাথাচাড়া দিয়েছে। ওয়ো-র প্রতিষ্ঠাতা রীতেশ আগরওয়ালের এক পুরনো মন্তব্য নতুন করে ভাইরাল হয়েছে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, পুরীর জগন্নাথদেবের চোখ ও নাকের আকৃতি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ওয়ো-র লোগো ডিজাইন করা হয়েছে। এই মন্তব্য নিয়েও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, ধর্মীয় প্রতীকের এমন বাণিজ্যিক ব্যবহার কতটা নৈতিক?
তবে এত বিতর্কের মাঝেও ওয়ো এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি। সংস্থার পক্ষ থেকে ক্ষমা চাওয়ার বা বিজ্ঞাপন সরানোর বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। ফলে ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে। সমাজমাধ্যমে লাগাতার প্রচার চলছে, সাধারণ মানুষও তাঁদের মতামত জানাচ্ছেন। এখন দেখার, ওয়ো পরিস্থিতি সামাল দিতে কী পদক্ষেপ নেয়।





“রাজনীতিতে তারকার খ্যাতি নয়, আদর্শ থাকা জরুরি!” “প্রত্যেককে নিরাপত্তা দেবে এমন একজনই হোক মুখ্যমন্ত্রী!” রাজনীতিতে তারকাদের ভূমিকা ও নির্বাচনে আদর্শহীন প্রার্থীদের নিয়ে অকপট লগ্নজিতা চক্রবর্তী!