চায়ের কাপেই ছোটে গানের তুফান! নিজের চায়ের দোকানে গান শুনিয়েই টানেন ক্রেতা, তুমুল জনপ্রিয় চা বিক্রেতা

ঠিক যেন ভুবন বাদ্যকর। গান গেয়ে চা বিক্রি করেন বসিরহাটের চা বিক্রেতা। বসিরহাটের বায়লানি এলাকার চা বিক্রেতা তিনি। এই দোকানে চা খেতে এলে আপনার মন ভাল হতে বাধ্য। কারণ গরম চায়ের সঙ্গেই মিলবে কিশোর কুমার, ভূপেন হাজারিকার মনমাতানো গান। হাতে গরম চায়ের সঙ্গে খোলা গলায় গান শুনতে পাবেন। চা দোকানের বিক্রেতা বিশ্বজিৎ দাস চা এর সাথে গান শোনাবেন আপনাকেও। বিশ্বজিৎ কখনও কখনও মিউজিক সেট নিয়ে মাইকেও গান গেয়ে থাকেন। চা দোকান চলতে থাকে ছোট গানের আসর।

চায়ের সাথে বাঙালি টান একটা আলাদাই। আর সাথে যদি থাকে গান তাহলে তো আর কোন কথাই নেই। চায়ের সাথে গান শুনতে ভিড় করে বহু লোক। চা বিক্রির সঙ্গে সঙ্গেই বিশ্বজিৎ মাইক্রোফোন নিয়ে কিশোর কুমার, ভূপেন হাজারিকার গান একের পর এক গেয়ে চলেন।

উত্তর ২৪ পরগনার প্রত্যন্ত সুন্দরবনের হিংঙ্গলগঞ্জের বায়লানি বাজারে এই চায়ের দোকান। বিশ্বজিৎ নিজের সুরেলা কন্ঠে মাতিয়ে রাখেন নিজের দোকানে আগত কাস্টমারদের। বলা যায় চায়ের সাথে গান ফ্রি। দোকান খোলার আগে থেকেই ভিড় জমে চায়ের দোকানে। চা-প্রেমীরা ভিড় জমান তার হাতের চা খেতে। শুধু গানের গলাই নয়, তার দোকানের চায়ের স্বাদও অতুলনীয়। তবে স্থানীয়রা বেশি পছন্দ করেন বিশ্বজিৎ বাবুর চায়ের লিকার বা ফ্লেভার। চায়ের ফ্লেভারে গন্ধে মুগ্ধ অনেকেই।

হাতে বানানো চায়ে চুমুক দিতে দোকানে ভিড় জমায়, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। জানা গেছে,একসময় বিশ্বজিৎ দাস রাস্তায় রাস্তায় চা বিক্রি করতেন। স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর সহযোগিতায় তিনি দোকান ভাড়া নিয়ে চা বিক্রি করেন। বিশ্বজিৎকে অনেকেই গায়ক বিশ্বজিৎ বলে ডাকেন পাড়ার লোকারা।

উল্লেখ্য, কাঁচা বাদাম গান গেয়ে ফেমাস হয়ে ছিলেন ভুবন বাদ্যকর। খুব কম দিনেই ভাইরাল হয়েছিল ভুবন বাদ্যকর। ভুবন বাদ্যকরের মতই কী এবার বিশ্বজিৎ দাসের উত্থান। আবার হঠাৎ করেই আর খোঁজ পাওয়া যাবে না তার। উদ্বিগ্ন সোশ্যাল মিডিয়ার লোকেরা। বিশ্বজিতের পাশে থাকতে চায় অনেকেই। তার অতুলনীয় ফ্লেভারের চায়ের সাথে গান শোনার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন নেটিজেনরা।

RELATED Articles