আর জি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় গোটা রাজ্য তথা দেশে প্রবল আলোড়ন পড়েছে। এই ঘটনায় চলছে ব্যাপক বিক্ষোভ, আন্দোলন। তরুণী চিকিৎসককে ন্যায় বিচার পাওয়ানোর জন্য রাস্তায় নেমেছেন সকল স্তরের মানুষ। এই ঘটনায় প্রথম থেকেই পুলিশের ভূমিকা প্রশ্ন উঠেছে। এবার তরুণী চিকিৎসকের দেহ দাহতেও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠল প্রশ্ন।
৯ আগস্ট আর জি করের সেমিনার হলে উদ্ধার হয় তরুণী চিকিৎসকের অর্ধনগ্ন দেহ। তারপর থেকেই এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে প্রবল বিক্ষোভ। পুলিশ প্রথমেই এই ঘটনাকে ‘আত্মহত্যা’ বলে দাগিয়ে দেয়। পরে গিয়ে খুনের মামলা রুজু হয়। আর তারও পরে যোগ হয় ধর্ষণের মামলা। ফলে এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় প্রথম থেকেই।
ঘটনার দিন তরুণী চিকিৎসকের মা-বাবা গিয়েছিলেন টালা থানায় অভিযোগ দায়ের করতে। তারপর আর জি করে ফিরে আসেন তারা। কিন্তু সেই সময় আচমকাই পুলিশি ঘেরাটোপের মধ্যে দিয়ে তরুণী চিকিৎসকের মৃতদেহ নিয়ে হাসপাতাল বেরিয়ে বাড়ির দিকে রওনা দেয় পুলিশ। মৃতার মা-বাবাকে জানানোও হয়নি বলে অভিযোগ।
শুধু তাই-ই নয়, শ্মশানেও শেষকৃত্যে তাড়া দিচ্ছিল পুলিশ, এমনটাই জানালেন শ্মশানের ম্যানেজার। তিনি জানান, “বাকি মৃতদেহের আগে আরজি করের নির্যাতিতার দেহের শেষকৃত্য করতে বলে পুলিশ। নির্যাতিতার পরিবার তখনও এসে পৌঁছায়নি। তার আগেই পুলিশ এসেছিল শ্মশানে। তারা আমাদের বলতে থাকে – জলদি করো, জলদি করো”।
মৃতা তরুণী চিকিৎসকের বাবাও জানিয়েছেন, “শ্মশানে আমার মেয়ের আগে আরও তিনটি মৃতদেহ ছিল। তবে পুলিশ প্রভাব খাটিয়ে আগেভাগে আমার মেয়ের দেহ দাহ করিয়ে দেয়”।
পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন নির্যাতিতার মা-ও। তিনি বলেন, “পুলিশ আমাদের সাথে মোটেও সহযোগিতা করেনি, তারা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মামলাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। তাদের চেষ্টা ছিল যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা এবং মৃতদেহ সরিয়ে নেওয়া”।
এমন নানান ঘটনা থেকেই ফের পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। কেন এত তাড়া দিচ্ছিল পুলিশ। শবদেহ দাহ করতে কীসের তাড়া? তাহলে কী কিছু লোকাতে চাইছিল পুলিশ? এই ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। এখনও পর্যন্ত একজনকে গ্রেফতার করা হলেও সকলেরই অনুমান, তার একার পক্ষে এই ঘটনা ঘটানো সম্ভব নয়।





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!