Kerosene in LPG Crisis: গ্যাসের দামে হাহাকার, বিকল্পে কেরোসিনে ভরসা! কেন্দ্রের ছাড়পত্রে রেশন দোকানে ফের জ্বালানি মিলবে পশ্চিমবঙ্গে!

পশ্চিমবঙ্গে রান্নার গ্যাসের (LPG) সমস্যা ক্রমেই সাধারণ মানুষের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। বাড়িতে রান্নার জ্বালানির ঘাটতি, দাম বৃদ্ধি ও সময়মতো সরবরাহ না হওয়া—সব মিলিয়ে এই পরিস্থিতি জনজীবনে চাপ সৃষ্টি করেছে। এই জ্বালানি আতঙ্কের মধ্যে কেন্দ্র নতুন এক পদক্ষেপ নিয়েছে যা আপাতদৃষ্টিতে সাময়িক হলেও সাধারণ মানুষের কাছে কিছুটা স্বস্তির বার্তা নিয়ে এসেছে।

নয়াদিল্লি সূত্রে জানা গেছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে রাজ্যের সব রেশন দোকানে কেরোসিনের (Kerosene) বণ্টন শুরু হতে পারে। ২০২২ সাল থেকে পরিবেশ দূষণজনিত কারণে কেন্দ্র কেরোসিনের গণবণ্টন বন্ধ করেছিল। কিন্তু পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাত এবং LPG-এর অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে কেন্দ্র এই সীমিত ছাড়পত্র দিয়েছে। এখন দেখা যাবে, কতটা সময়ের জন্য এই ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে।

এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূলত ‘অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলার্স ফেডারেশন’ বা রেশন ডিলারদের সংগঠন প্রধান ভূমিকা রেখেছে। সংগঠন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীকে চিঠি পাঠিয়েছে, যেখানে কেরোসিন ফেরাতে বিশেষ ছাড়পত্রের দাবি জানানো হয়। সেই চিঠির ভিত্তিতেই কেন্দ্র এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের জন্য ৪,১০০ কিলো লিটার কেরোসিনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রের নির্দেশে, রাজ্যকে এই তেল সংগ্রহের পরিকাঠামো সাজাতে বলা হয়েছে এবং আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে তেল সংগ্রহ করতে হবে। এরপর রেশন ডিলাররা সরাসরি জনগণের কাছে কেরোসিন সরবরাহ করবেন। এই ব্যবস্থা সাময়িক হলেও, রেশন ডিলাররা চাইছেন এটি স্থায়ীভাবে চালু করা হোক। কারণ LPG-এর দাম বৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষ দিনদিন আরও বেশি চাপের মুখে পড়ছেন।

আরও পড়ুনঃ Suprem court : ‘ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করলে মহিলাদের পেশাগত নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে’ — শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠীর জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে জানাল সুপ্রিম কোর্ট! ভবিষ্যতে কি এই সিদ্ধান্ত কর্মক্ষেত্রে সমতার পথে বাধা হতে পারে?

জনমনে এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাময়িক হলেও কেরোসিনের ফেরত আসা মানুষকে রান্নার জ্বালানি সংকট থেকে কিছুটা মুক্তি দেবে। তবে দীর্ঘমেয়াদে LPG-এর সমস্যা সমাধান ও জ্বালানির স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করাই মূল চ্যালেঞ্জ। এই পদক্ষেপ শুধুমাত্র একটি জরুরি ব্যবস্থাপনা হিসেবে ধরা যেতে পারে।

RELATED Articles