বেশ কিছুদিন ধরেই দাউ দাউ করে জ্বলছে অ্যামাজনের রেইন ফরেস্ট৷ তা নিয়ে এতোদিন ধরে প্রায় উদাসীনই ছিলেন ব্রাজিল সরকার। কিন্তু অবশেষে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পরে অ্যামাজন জঙ্গলের আগুন নেভাতে পদক্ষেপ নিলো ব্রাজিল সরকার। অ্যামাজন জঙ্গলের আগুন ব্রাজিলের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে এতে অন্য দেশগুলোর নাক গলানো ভালো চোখে দেখছিলেননা ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট জাইর বলসনারো। কিন্তু অবশেষে আন্তর্জাতিক চাপের কাছে একাপ্রকার বাধ্য হয়েই আগুন নেভাতে সেনা মোতায়েন করলেন তিনি।
বেশ কিছুদিন ধরে জ্বলছে অ্যামাজনের জঙ্গল৷ পরিবেশবিদদের মতে পৃথিবীর প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন সরবরাহকারী এই বৃষ্টিচ্ছায় জঙ্গলে আগুনের ফলে পুড়ে যাচ্ছে গাছের পর গাছ, আর ফলে এর প্রভাব শুধু ব্রাজিলেই সীমাবদ্ধ না থেকে তা ছড়িয়ে পরবে সারা বিশ্ব জুড়েই। তাই স্বাভাবিকভাবেই অ্যামাজনের আগুন নিয়ে নিরুত্তাপ থাকা ব্রাজিল সরকারের ওপর আসতে থাকে আন্তর্জাতিক চাপ।
ইতিমধ্যেই অ্যামাজনে জ্বলতে থাকা আগুন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রাম্প সরকার। শুক্রবার আয়ারল্যান্ড সরকার জানিয়েছেন যে আমাজনের আগুন নিয়ে নিরুত্তাপ থেকে ব্রাজিল আন্তর্জাতিক চুক্তি লঙ্ঘন করেছে৷ তাই তারাও ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন ও মার্কোসুর মুক্ত বাণিজ্যকে সমর্থন না করার হুমকি দিয়েছেন। ফলস্বরূপ ব্রাজিলের শিল্পপতিরা তাদের বাণিজ্যের বিষয়ে আশঙ্কায় পরে অ্যামাজনের আগুন নিয়ে চাপ সৃষ্টি করতে শুরু করে ব্রাজিল সরকারের।
তাই অবশেষে আন্তর্জাতিক মহলে পুরোপুরি কোনঠাসা হয়ে পরে অ্যামাজনের জঙ্গলের আগুন নেভাতে সেনা মোতায়েন করে ব্রাজিল সরকার। সঙ্গে ব্রাজিল সরকারের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে ফলাও করে বলা হয় যে আজ অবধি পরিবেশের জন্য আরও অনেক পদক্ষেপ নিয়েছে ব্রাজিল সরকার।





