কী ঘটনা আসলে ঘটেছিল? বাংলাদেশে তদন্তমূলক সাংবাদিকতার জন্য বেশ জনপ্রিয় রোজিনা। অভিযোগ উঠেছে, ওই দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দুর্নীতি প্রকাশ্যে আনার জন্য একাংশের রোষানলে পড়েছেন তিনি। উক্ত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ আমলের তৈরি অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে রাষ্ট্রীয় গোপন নথি সরানো ও অনুমতি না নিয়ে ছবি তোলার অভিযোগে মামলা করা হয় ঢাকার শাহবাগ থানায়। তারপর গ্রেপ্তারও করা হয় তাঁকে। এমনকি যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে তাতে দেখা গেছে রীতিমতো তাঁর গলাও টিপে ধরা হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে শুধুমাত্র বাংলাদেশ নয় সারা বিশ্বের সাংবাদিক মহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে হয়েছে। ইতিমধ্যেই রোজিনার মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন সংগঠনের পাশাপাশি আওয়ামি লিগ, বিএনপি-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা রোজিনা ইসলামের মুক্তির দাবি জানিয়েছেন। এই মামলার তদন্তভার বাংলাদেশ পুলিশের গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, এই বিষয়ে মুখ খুলে আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বিদেশমন্ত্রী বলেন, “আমি জানি, বিদেশমন্ত্রক হিসেবে আমাদের এই বিষয়টির সম্মুখীন হতে হবে। অনেকে প্রশ্ন করবে। আমরা এই ধরনের অনভিপ্রেত ঘটনা চাই না। যেহেতু এটি বিচারাধীন বিষয়, সেই জন্য এই নিয়ে বিস্তারিত কথা বলতে চাই না।”
তিনি আরও বলেন, “বিষয়টা খুবই দুঃখজনক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার সংবাদ-বান্ধব সরকার। আমরা কখনওই আপনাদের নিষেধ করি না। আমাদের লুকানোর কিছু নেই। যে ঘটনা ঘটেছে, সেটি খুব দুঃখজনক। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের ম্যানেজ করা উচিত ছিল। কিছু মানুষের জন্য এই বদনামটা হচ্ছে। কিন্তু এটি অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক ঘটনা। সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম ন্যায়বিচার পাবেন।”






