সারা বিশ্বে করোনা প্রতিষেধক তৈরি নিয়ে চলছে ইঁদুর দৌড়। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি সংস্থা এই প্রতিষেধক তৈরি করেছেন। একে একে চলছে ট্রায়াল পর্ব। তারই মধ্যে এক সংস্থা ফাইজার, যারা তাদের জার্মান সহযোগী সংস্থা বায়োএনটেকের সঙ্গে মিলে করোনা প্রতিষেধক তৈরি করছিল। তাদের সেই প্রতিষেধকেই এবার প্রথমবার সম্মতি জানাল ব্রিটেন। জানা গিয়েছে আগামী সপ্তাহ থেকেই এই প্রতিষেধক মিলবে।
বরিস জনসনের সরকার জানান ফাইজার-বায়োএনটেকের করোনা প্রতিষেধক ব্যবহারের জন্য মেডিসিন অ্যান্ড হেলথকেয়ার প্রোডাক্টস রেগুলেটরি এজেন্সি যে প্রস্তাব দিয়েছিল, তা গ্রহণ করেছে ব্রিটিশ সরকার।
এদিকে সিইও অ্যালবার্ট বৌরলা জানিয়েছেন তাদের আশা বিজ্ঞানের জয় হবেই। তারা যে এই সম্মতি পাওয়ার জন্যই অপেক্ষা করছিলেন এও জানা গিয়েছে। ব্রিটেনের মানুষকে রক্ষা করতে সঠিক সময়ে সাহায্য করার জন্য মেডিসিন অ্যান্ড হেলথকেয়ার প্রোডাক্টস রেগুলেটরি এজেন্সির প্রশংসা করেছেন বৌরলা।
ফাইজার-বায়োএনটেক আগেই জানিয়েছিল যে, তারা মার্কিন মুলুকে এই প্রতিষেধক আপতকালীন ব্যবহারের জন্য আবেদন করবে। সংস্থা দুটির থেকে জানা গিয়েছে যে তারা এই বছর দু’কোটি ও পরের বছর আরও ১৩০ কোটি ডোজ তৈরি করতে পারবে।
তবে, বিশেষজ্ঞরা বলেন, এই প্রতিষেধক প্রতিষেধক প্রথমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অধিবাসীরা পাবেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ফাইজারকে আগেই ১০ কোটি প্রতিষেধক কেনার বরাত দিয়ে রেখেছে। এরপর, এই প্রতিষেধক নেওয়ার লাইনে রয়েছে কানাডা, জাপান ও ব্রিটেন। তারাও অগ্রিম অর্ডার দিয়ে রেখেছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে, ফাইজারের তৈরি প্রতিষেধকের প্রথম দফার উৎপাদনের কিছুই যে ভারতে আসবে না তা ভালোমতোই বোঝা যাচ্ছে।
এদিকে, ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসোসিয়েট ভাইস-চ্যান্সেলর তথা ড্রাগ ডেভেলপমেন্ট বিশেষজ্ঞ মাইকেল কিঞ্চ বলেছিলেন, “এiই প্রতিষেধক কতোটা কার্যকরী বা এই প্রতিষেধকের ক্ষমতা কতদিন স্থায়ী থাকবে তা তো সময়ই বলবে”।





