গোটা বিশ্বে এখন ‘এক ভিলেন’ হল চীন। এমনিতেই করোনা ছড়িয়ে পড়েছে চীন থেকে, এই অভিযোগে অভিযুক্ত বিশ্বের বৃহত্তম জনসংখ্যার এই দেশ। তার উপর ভারত সহ বিভিন্ন দেশে চীনের সামরিক ও কূটনৈতিক ভাবে নাক গলানোর চেষ্টাকে ভাল চোখে দেখছে না কেউই।
এবার চীনে কমিউনিস্ট পার্টি সাধারণ মানুষের ওপর জুলুম করছে বলেও উঠল গুরুতর অভিযোগ। আর এই অভিযোগ যে মিথ্যা নয় তা প্রমাণ করছে চীনা কমিউনিস্ট পার্টি স্বয়ং। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর বিরুদ্ধে মুখ খুললেই করতে হচ্ছে হাজতবাস! চীনের জনসাধারণ এমনিতেই করোনা নিয়ে এই কমিউনিস্ট সরকার তথ্য লুকিয়েছে বলে ভীষণ অসন্তুষ্ট। সেখানে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির বিরুদ্ধে যদি কেউ সামান্যতম কোনওরকম বক্তব্য কোনওভাবে প্রকাশ্যে আনেন তবে সঙ্গে সঙ্গে তাকে পড়তে হচ্ছে রাজরোষে।
সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর বিরুদ্ধে সমালোচনা মূলক বই প্রকাশ করায় সিনঘুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের অধ্যাপক জু ঝানগ্রুনকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় পুলিশ। প্রেসিডেন্টের সমালোচনা করে অনামে বিতর্কিত প্রবন্ধ লেখায় এক শিল্পপতিকেও আটক করেছে চীনা পুলিশ। এইভাবেই চীনে সাধারণ মানুষের গলা টিপে ধরতে শুরু করেছে লালফৌজের পার্টি। রাজনৈতিক নিরাপত্তার নামে চীনের কমিউনিস্ট সরকার স্পেশাল ওয়ার্কিং গ্রুপ তৈরি করেছে। যাদের কাজ হলো সমাজের সব দিকে নজর রাখা যাতে কেউ চীনের কমিউনিস্ট পার্টির বিরুদ্ধে মুখ না খোলে। যদি কেউ মুখ খুলেছে তাহলে তার জীবন শেষ! চীনের সাধারণ মানুষরাই লুকিয়ে চুরিয়ে বলছেন যে এই কমিউনিস্ট পার্টি চীনকে আবার মাও জে দং-এর যুগে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে শুরু করেছে।
বহুদিন আগে থেকেই অভিযোগ উঠেছিল যে চীনা কমিউনিস্ট পার্টি করোনা নিয়ে প্রচুর তথ্য লুকিয়েছে। সেই দেশে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা সরকারিভাবে যা দেখানো হয়েছে তার থেকে অনেক বেশি কিন্তু চীনা কমিউনিস্ট পার্টি তথ্য গায়েব করছে। চীনা কমিউনিস্ট পার্টির একনায়কতন্ত্রে রীতিমত হাঁসফাঁস করছেন চীনের সাধারণ মানুষরা। এই পার্টির রক্তচক্ষু থেকে আদৌ তাদের কোনদিনও মুক্তি হবে কিনা এখন তারই দিন গুনছেন সাধারণ চীনা নাগরিকরা।





