রাষ্ট্রপতি পদ হারানোর পরই মেলানিয়া ডিভোর্স দিচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পকে, দাবী প্রাক্তন কর্মীর

রাষ্ট্রপতি পদ হারিয়েছেন সম্প্রতিই, আমেরিকার নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন জো বাইডেন। এরই মধ্যে আরও একটি দুঃসংবাদ আসতে চলেছে ট্রাম্প পরিবারে। মেলানিয়া ট্রাম্প শীঘ্রই ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সব রকম সম্পর্ক ছিন্ন করতে পারেন বলে জানা গেছে। হোয়াইট হাউসের এক প্রাক্তন কর্মীর দাবী, মেলানিয়া ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাদের ১৫ বছরের ‘চুক্তির বিয়ে’ ভাঙতে চলেছেন, তাঁকে ডিভোর্স দিতে চলেছেন মেলানিয়া।

হোয়াইট হাউসের কমিউনিকেশনের প্রাক্তন ডিরেক্টর ওমারোসা এম নিউম্যান জানান যে ট্রাম্প রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন মেলানিয়া তাঁকে ডিভোর্স দিতে পারেননি কারণ তখন ট্রাম্প ক্ষমতায় ছিলেন। সেই সময় মেলানিয়া ডিভোর্সের কথা তুললে ট্রাম্প নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে মেলানিয়াকে শাস্তির মুখে ফেলতে পারতেন। তাই এখন জো বাইডেন নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মেলানিয়া নিজের সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছেন। এমনটাই দাবী করেছে লন্ডনের একটি দৈনিক সংবাদমাধ্যম। গত ২০১৭ সালে নিউম্যান অপ্রত্যাশিতভাবে নিজের হোয়াইট হাউসে নিজের কাজে ইস্তফা দেন।

এদিকে, মেলানিয়ার এক বন্ধুর দাবী যে, ২০১৬ সালে যখন ডোনল্ড ট্রাম্প মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন, সেই সময় মেলানিয়া আনন্দে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন, কারণ তিনি আশাই করেন নি যে তার স্বামী জিততে পারেন। সেই সময় নিউ ইয়র্ক থেকে ওয়াশিংটন আসার আগে তিনি ৫ মাস অপেক্ষা করেছিলেন কারণ তখন তার পুত্র ব্যারন নিউ ইয়র্কের স্কুলে পড়াশোনা করছিলেন।

কিন্তু মেলানিয়ার প্রাক্তন উপদেষ্টা ও আমেরিকার ফ্যাশন এক্সিকিউটিভ স্টেফ্যানি ওলকফের দাবী, মেলানিয়া ও ডোনাল্ড ট্রাম্প দুজনে একটি ‘চুক্তি বিয়ে’-তে আবদ্ধ ছিলেন যেখানে মেলানিয়া দাবী করেছিলেন যে তার ছেলে ব্যারনকেও ট্রাম্পের সম্পত্তির সমান অধিকার দিতে হবে। ওলকফ এও জানান যে, হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প দম্পতির শোবার ঘোর আলাদা ছিল এবং তাদের মধ্যে বিয়ে নিয়ে চুক্তিও করা হয়েছিল।

কিন্তু এতো সব গুঞ্জনের পরও জনসমক্ষে মেলানিয়া স্বীকার করেন যে তার ও তার স্বামীর মধ্যে সম্পর্কের রসায়ন খুব ভালো এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পও বলেন যে তারা দুজনে নাকি কখনও বিবাদ করেন না।

ট্রাম্পের দ্বিতীয় চুক্তি বিয়ের স্ত্রী মারলা ম্যাপেলস জানান, এই চুক্তি বিয়ের সম্পর্কে কোনও ইন্টারভিউ বা কোনও বইতে এর সম্বন্ধে কিছু বলা বারণ ছিল। এর জেরে ট্রাম্প কোনও বিপদে পড়তে পারতেন। মেলানিয়াও এই একই চুক্তির কারণেই চুপচাপ ছিলেন।

RELATED Articles