করোনা ভাইরাসের কবলে যখন আমেরিকা অগুনতি মৃত্যু দেখছে চোখের সামনে, তখন এলো এক দারুন খবর। ইস্টারের দিন এত সংখ্যক মানুষ নিজের প্রাণ হারিয়েছেন আর তারপরই ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর সুস্থ হওয়ার খবর। এ যেন অন্ধকারে এক আশার আলো। এমনিতে বিশ্বের ১৮৫টা দেশ এখন করোনা জর্জরিত। দিন প্রতিদিন সংক্রামিতের সংখ্যা এবং মৃত্যু সংখ্যা বেড়েই চলেছে। আমেরিকা, ইতালি, ফ্রান্সের মতো দেশ বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে এর মাঝে, প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছুটি পাওয়ার খবরে যেন সবাই আপ্লুত। কিছুদিন আগেই ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী করোনা আক্রান্ত হন এবং ১০ দিনের মাথায় তার শরীর আরো অসুস্থ হতে শুরু করে। ফলে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। করোনাভাইরাসে কাবু জনসন চিকিৎসার জন্য এক সপ্তাহ হাসপাতালে থাকার পর আজ ছাড়া পেলেন বলে জানিয়েছেন ডাউনিং স্ট্রিটের এক মুখপাত্র।
৫৫ বছর বয়সি জনসনকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ পজিটিভ প্রমাণিত হওয়ার ১০ দিন পরে গত রবিবার লন্ডনের সেন্ট টমাস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিন রাত ইনটেনসিভ কেয়ারে থাকার পর ওয়ার্ডে পাঠানো হয় তাঁকে। গতকাল জানা গিয়েছিল, তিনি অল্পসল্প হেঁটেছেন, সিনেমা দেখে সময় কাটিয়েছেন।
ডাউনিং স্ট্রিটের তরফে বলা হয়েছে, ছুটি পেলেও প্রধানমন্ত্রী পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেননি। তার এখন বিশ্রামের প্রয়োজন। তিনি আপাতত বিশ্রামে থাকবেন বাকিংহামশায়ার, চেকার্সের বাড়িতে।
ডাউনিং স্ট্রিটের মুখপাত্র বলেন, প্রধানমন্ত্রী তাঁর মেডিকেল টিমের পরামর্শ অনুসারে এখনই কাজে ফিরছেন না। সেন্ট টমাসে যে চমৎকার চিকিৎসা, সেবা-যত্ন পেয়েছেন, সেজন্য তিনি প্রত্যেকটি মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এই রোগে অসুস্থ সবার কথা তিনি গভীর ভাবে ভাবছেন। তিনি হাসপাতালের কর্মীদের সম্পর্কে বলেছেন, ওদের ধন্যবাদ দিতে কোনও শব্দই যথেষ্ট নয়। আমার জীবন ওদের কাছে ঋণে বাঁধা পড়ল। ওঁরা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমাকে এত ভালো পরিষেবা দিয়ে সুস্থ করে তুলেছেন।
*আমাদের এই প্রতিবেদনের শুধুমাত্র শিরোনামে প্রথমে বরিস জনসনকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর জায়গায় ‘মার্কিন’ প্রধানমন্ত্রী বলে সম্বোধন করা হয়। এই অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্যে আমরা পাঠকদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী*





