মানব শরীরে কিভাবে এলো করোনা, চিনে গিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে চায় WHO

লক্ষ লক্ষ মানুষ এখন অকাতরে নিজের প্রাণ ভিক্ষা করছে করোনার কাছে। কিন্তু করোনার তাতে কিছুই আসে যায় না। সে দিন-প্রতিদিন আরও শক্তিশালী হচ্ছে আর নির্দ্বিধায় মানুষের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে। এই করোনার জন্মস্থল চিন। তাই সারা বিশ্ব এই অতিমারী-সঙ্কটের জন্য চিনকে দায়ী বলে চিহ্নিত করছে। এবার সরাসরি সেখানে গিয়েই উৎসের সন্ধান করতে চায় হু (WHO)। ঠিক কীভাবে মানুষের শরীরে সংক্রমিত হল মারণভাইরাস, এই প্রশ্নের উত্তর না জানলে এই ভাইরাস প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়।

বুধবার হু(WHO)-র মহামারী বিশেষজ্ঞ মারিয়া ভ্যান জানিয়েছেন, চিনে তাদের শাখা সংস্থার সঙ্গে ইতিমধ্যেই কথা হয়েছে যে, সেখানে গিয়ে বিশেষজ্ঞরা সরজমিনে গবেষণা করে দেখতে চান, কীভাবে এই ভাইরাস, মানুষের শরীরে ঢুকলো।

গত ফেব্রুয়ারিতে চিনে হু(WHO)-র যে বিশেষজ্ঞ দলটি গিয়েছিল, তারা জানায়, করোনা ভাইরাস কোনও জীব থেকেই মানুষের শরীরে সংক্রমিত হয়েছে। বলা হয়, বাদুরের শরীরে এই জীবাণু পাওয়া গেলেও তা মানুষের শরীরে ঢুকল কী করে, তা জানা যায়নি।

কিছুদিন আগে করোনা সংক্রমন নিয়ে ট্রাম্প সরাসরি চিনের বিরুদ্ধে আঙ্গুল তুলে জানান, উহানে ইনস্টিটিউট অফ ভাইরেলজির গবেষণাগার থেকেই ছড়িয়েছে করোনা। তাই এই ভাইরাসকে “চিনা ভাইরাস” বলে সম্বোধন করেন তিনি। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে চিন।

এছাড়া চিনের প্রতি পক্ষপাতিত্বের জন্য হু(WHO)-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এমনকি অনুদান বন্ধ করে দেন তিনি। যদিও হু(WHO)-এর প্রস্তাবে এখনও সাড়া দেয়নি চিনের বিদেশমন্ত্রক। অষ্ট্রেলিয়া ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নও চিনকে মানবশরীরে সংক্রমণের উৎস সম্পর্কে খতিয়ে দেখার আর্জি জানায়। যদিও চিন জানিয়েছে, তারা ‘সঠিক সময়ে’ সঠিক পদক্ষেপ নেবে। হু-কেও সবরকমের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে তারা। বেজিং এ এক সাংবাদিক বৈঠকে চিন জানায়, তারা তদন্তের অজুহাতে রাজনৈতিক স্বার্থে করোনাকে ব্যবহার করার বিরোধিতা করে।

RELATED Articles

Leave a Comment