এই বছরের শেষেই মিলতে পারে করোনার (coronavirus) প্রতিষেধক (vaccine)। বিভিন্ন দেশে প্রতিষেধকের সমবন্টনের নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এইরকম একাধিক ‘পজিটিভ’ খবর ছড়িয়ে ছিল। আশায় বুক বাঁধছিল বিশ্ববাসী।
রোজই বেড়ে চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা। কিছুতেই গতি রোধ করা যাচ্ছেনা। বাঁচাবার শেষ রাস্তা প্রতিষেধক। আর এবার আপামর বিশ্ববাসীকে চিন্তায় রেখে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World health organisation) ঘোষণা করল তরুণরা ও আপাত দৃষ্টিতে সুস্থ মানুষরা এখনই পাবেন না প্রতিষেধক। ২০২২ সাল অর্থাৎ প্রায় দু’বছর প্রতিষেধকের জন্য অপেক্ষা করতে হবে তাঁদের।
আর তাই এই পরিস্থিতিতে তরুণদের (young people) ইমিউনিটি (immunity) বা শারীরিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিজ্ঞানীরা। সংস্থার তরফে মুখ্য আধিকারিক জানিয়েছেন করোনা ভাইরাসের পেতে দেরি আছে। অপেক্ষা করতে হবে তরুণ ও আপাত দৃষ্টিতে সুস্থ ব্যক্তিদের।
একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন প্রতিষেধক বাজারে এলেও সর্তকতা অবলম্বনে ত্রুটি রাখা চলবে না। মাস্ক আর স্যানিটাইজার সঙ্গী হবে আপনার নিত্য জীবনের। বেশিরভাগ মানুষ ভাবছে, টিকা বের হলেই করোনার হাত থেকে ছুটি। কিন্তু এই ধারণা একেবারে ভুল।
সৌম্য স্বামীনাথনের কথায়, প্রতিষেধক এলেই যে আগের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে যেতে পারবেন এমনটা ভাববেন না। ভ্যাকসিনের যাত্রাপথ আপনার ভাবনার চেয়ে অনেকটা আলাদা। একাধিক নির্দেশিকা বের হবে প্রতিষেধক বাজারে বের হওয়ার পরেও। কাজেই, তরুণ এবং সুস্থ ব্যক্তিদের ভ্যাকসিন সুখ মিলতে দেরি হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। ২০২২ সালের আগে সম্ভাবনা কম।





