টলিপাড়া জুড়ে কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টোরাজের নাম নেওয়া মাত্রই চর্চা শুরু হয়। শুধু তাদের কাজ নয়, ব্যক্তিগত জীবনও পাঠক ও দর্শকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। সম্পর্ক, বিয়ে, সংসার আর সন্তান—সব কিছু নিয়েই মিডিয়ায় আলোচনা কম হয় না। তবে এই দম্পতি সব সময়ই কটূক্তি ও সমালোচনার বাইরে থেকে নিজের আনন্দময় জীবনকে সামনে আনে। ইভেন্টে একসাথে হাসিমুখে হাজির হওয়া বা রঙিন পোশাকে একে অপরকে মিলে থাকা তাদের পরিচিত স্বভাব।
সাম্প্রতিক জি বাংলা সোনার সংসার অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে কাঞ্চন-শ্রীময়ী আবারও একসঙ্গে দেখা গেল। তারা দুজনেই রঙের মিলনে নজর কেড়েছিলেন। শ্রীময়ী নীল ও লাল পাড়ের স্টোনওয়ার্ক করা শাড়িতে আসেন, আর কাঞ্চন লাল রঙের সিল্ক পাঞ্জাবি, পাজামা ও জহর কোট পরে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে শ্রীময়ী জানালেন, “আমরা সবসময় পোশাক মিলাই, কারণ আমাদের জ্যোতিষীরা বলেছেন, আমাদের মনের মিল শতভাগের বেশি। তাই আমরা সবসময় রঙিন থাকি। আর ভালোবাসার রঙ লাল, তাই আজ লালেই আসলাম।”
শ্রীময়ী আরও বলেন, রঙ মিলনের এই সিদ্ধান্ত তাদের সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ করে। তিনি জানালেন, অনুষ্ঠানে তারা শুধু মিলিতভাবে হাজির হয়নি, বরং একে অপরের পাশে দাঁড়িয়েও আনন্দ ভাগাভাগি করেছেন। তার কথায়, “আমরা রঙের মাধ্যমে আমাদের ভালোবাসা ও আনন্দ প্রকাশ করি। সবাই দেখুক, সম্পর্কের খুশি ছোট ছোট জিনিসেও লুকিয়ে থাকে।” তাদের এই খোলামেলা মনোভাব ভক্তদের কাছেও প্রশংসিত হয়েছে।
অ্যাওয়ার্ড বিতরণের সময়ও শ্রীময়ীর আনন্দ ছিল চোখে পড়ার মতো। তিনি বলেন, “আমি যখন কৃষ্ণকলি সিরিয়ালে কাজ করতাম, তখন নিজেকে সেরা খলনায়িকার পুরস্কার পেয়েছি। আজ একজনকে পুরস্কার দিচ্ছি। কিন্তু সবচেয়ে ভালো লাগছে, আমার বাস্তব জীবনের সেরা বর পাশে নিয়ে এই মুহূর্তটি উপভোগ করছি। তাই জি বাংলাকে বিশেষ ধন্যবাদ।” তাদের এই আন্তরিক মুহূর্ত দর্শকদের জন্য বিশেষ আনন্দের ছিল।
আরও পড়ুনঃ Mamata Banerjee : “সবথেকে বড় অনুপ্রবেশকারী মোদি” — বৃষ্টিভেজা রেড রোডে নামাজের জমায়েতে বিজেপি-বিরোধী বার্তা, জনসংযোগের আড়ালে কড়া রাজনৈতিক ইঙ্গিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের!
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি কাঞ্চন ও শ্রীময়ী আইনি ভাবে বিয়ে সারেন। এরপর ২৫ মার্চ সামাজিকভাবে সমস্ত রীতিনীতি মেনে বিবাহ অনুষ্ঠিত হয়। আইনি বিয়ের সাড়ে ৮ মাসের মাথায় শ্রীময়ী মা হন, এবং তাদের কোল আলো করে মেয়ে কৃষভি আসে। টলিপাড়ার এই সুখবর ভক্তদের মধ্যে আনন্দ ছড়িয়েছে। দম্পতির রঙিন মিলন, আন্তরিকতা ও পরিবারকে নিয়ে খুশি থাকার এই গল্প এখন অনেকের কাছে অনুপ্রেরণার মতো।





