রঙের উৎসবের (Holi) রঙিন হয়ে উঠল কলকাতা (Kolkata)। তবে উৎসবের আমে যে কেউ কেউ ভেঙেছেন আইন-কানুন, আবার কারো ব্যবহার ছিল খুবই খারাপ। উৎসবের মুহুর্তে অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে সারাদিন রাস্তায় ছিল কলকাতা পুলিশ। দোলের (Holi) দিন অভব্য আচরণের দায়ে ৩০৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ৪৬.৭ লিটার ম’দ। অনেকেই দোলের দিন বাড়ির বদলে গিয়েছেন মামার বাড়িতে।
প্রতিবছর দোল বা হোলির (Holi) দিন নানা ঘটনার সাক্ষী থাকে কলকাতা। ম’দ খেয়ে রাস্তায় বেপরোয়া আচরণ আবার কোথাও মদ খেয়ে গাড়ি চালিয়ে দুর্ঘটনার মুখে পড়ে একাধিক লোক এসব দুর্ঘটনা ঘটতেই থাকে বিশেষ দিনগুলোতে। এই সময় ট্রাফিক আইন মানার হুঁশ থাকে না কারোরই, প্রত্যেকবারের মতো এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। পুলিশ সূত্রে খবর এ বছরও মদ্যপান করে রাস্তায় অভদ্র আচরণ ও মত্ত অবস্থায় গাড়ি চালানোর ঘটনা ঘটেছে। এমনকি দোলের দিন সকালে মা ফ্লাইওভারে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে একজনের।
প্রত্যেক বছরের ন্যায় এ বছরও দোলের (Holi) দিন সামাল দিতে তৎপর ছিল পুলিশ প্রশাসন। অতিরিক্ত আনন্দ যেন কারো দুঃখের কারণ না হয়, সেদিকে নজর রেখেছিলেন কলকাতা পুলিশ। দোলের দিন কলকাতার রাস্তায় ছিল প্রায় সাড়ে তিন হাজার পুলিশ। রাস্তা টহলদারির জন্য ৪৪ টি টহলদার বাইক। এমনকি সকালে ২৭টি হেভি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড ও রাতে ১৯ টি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড প্রস্তুত করা হয়েছিল। রাস্তা টহল দিতে ছিল ৫৮ টি পিসিআর ভ্যান। নজরদারি থেকে নাকা চেকিং, শহরের একাধিক জায়গায় কড়া হাতে পরিস্থিতির সামাল রাখে পুলিশ প্রশাসন।
দোলের (Holi) দিন শহর জুড়ে অন্তত ৩৫০টি পয়েন্টে পুলিশ পিকেট বসানো ছিল। নারীদের উপর কোনও অভব্য আচরণ ঠেকাতে ব্যবস্থা নিয়েছিল পুলিশ। পাশাপাশি পুলিশের বাইক পেট্রোলিং টিম ও মহিলা পুলিশের উইনার্স টিমও রাস্তায় ছিল। রাত থেকে এই বেপরোয়া গতিতে বাইক চালানো শুরু হয়ে যায় পথে ঘাটে মদ্যপান করে অভাববো আচরণের সাক্ষী থেকেছে কলকাতা। দুর্ঘটনা ঢুকতে রবিবার রাত থেকেই সক্রিয় ছিল লালবাজার। এমনকি ঘাটেও অতিরিক্ত পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা ছিল। এছাড়াও সাদা পোশাকে নজরদারি চালান একদল পুলিশকর্মী।





