করোনা মোকাবিলায় যেখানে নিজেদের প্রাণ হাতে নিয়ে অনবরত কাজ করে চলেছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা সেখানে নিজের পরিবারের কাছেই চরম হেনস্থা হতে হলো এক মহিলাকে। তাঁর পরিবারের লোকেরা তাঁকে প্রতিনিয়ত তাঁর স্নানের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করার হুমকি দিয়ে চলেছে। তাই শেষ অবধি কোনো রাস্তা না পেয়ে নরেন্দ্রপুর থানার দ্বারস্থ হন ওই তরুণী।
বেলেঘাটা হাসপাতালে কর্মরত ওই তরুণী জানিয়েছেন, বিয়ের পর থেকেই তাঁর বাড়ির সদস্যরা তাঁর সঙ্গে অশান্তি করত। এমনি শারীরিক ও মানসিক অত্যাচারও চলত। এই অত্যাচারের ঘটনা আরও বাড়ল যখন জন্মের ৭ দিনের মাথায় তাঁর প্রথম পুত্র সন্তান মারা যায়। এরপর তাঁর ২টি কন্যাসন্তান জন্মায় । অভিযোগ, এরপর থেকেই তাঁকে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন।
তাঁদের কথায়, “দুটি মেয়ে রয়েছে বলে ওই মহিলার সম্পত্তির কোনও প্রয়োজন নেই। তাই বাড়িতে থাকারও কোনো দরকার নেই।” এরপরই বাড়ির বৌয়ের স্নানের ভিডিও করেন তাঁরা এবং বাড়ি ছেড়ে না গেলে সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দিতে শুরু করে তাঁরা।
শেষপর্যন্ত নিরুপায় হয়েই নরেন্দ্রপুর থানায় পরিবারের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন তিনি। ইতিমধ্যে ওই অভিযোগের ভিত্তিতে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আপাতত ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এমনকি ওই পরিবারের নিজের পুত্রবধূর ওপর এমন অমানবিক আচরণে স্তম্ভিত এলাকাবাসীও।





