কলকাতা শহর এখন করোনা ছাড়াও আরো একটি কারণে রীতিমত আতঙ্কিত হয়ে আছে। তা হলো সিইএসসির বিলে টাকার অঙ্ক। রীতিমত মানুষের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে এই বিল। নানা জায়গায় মানুষ সিইএসসির (CESC) পাঠানো বিলে গরমিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে। এবার সাধারণ মানুষের পাশে এগিয়ে এলো বাংলা পক্ষ (Bangla Pokkho)।
এর আগেও মানুষের হকের লড়াইয়ে সর্বদা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলা পক্ষ। এবারও তার অন্যথা হল না। সিইএসসি ও ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট ইলেক্ট্রিসিটি ড্রিসট্রিবিউশান কোম্পানি লিমিটেড (WBSEDCL) কর্তৃপক্ষকে লিখিত অভিযোগ জানালো বাংলা পক্ষ। চিঠিতে তাঁরা লিখছেন, ‘কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে সিইএসসি গ্রাহকদের পক্ষ থেকে গত কয়েক মাস ধরে অস্বাভাবিক হারে(দ্বিগুণ, তিনগুণ এমন কি পাঁচগুণ পর্যন্ত) বিদ্যুতের বিল পাঠানোর অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। এই বিলের জেরে সমস্যায় পড়েছেন গ্রাহকরা। এমনিতেই লকডাউনের জেরে অর্থকষ্টে ভুগছেন অনেকেই। এর মধ্যে এতো বিল আশায় মানুষ নাজেহাল হয়ে পড়ছে।’
তবে শুধু অস্বাভাবিক বিল আসার সমস্যাই নয় আরো একটি সমস্যার উল্লেখ করেছেন বাংলা পক্ষের সদস্যরা। তাদের অভিযোগ বিল সংশোধন করার জন্য অনেককেই এই লকডাউনের মধ্যেও সিইএসসি-এর অফিসে যেতে হচ্ছে এবং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। এত মানুষের একত্র উপস্থিতি করোনা সংক্রমণের সম্ভাবনাকে কিছুটা হলেও বাড়িয়ে দিচ্ছে। শুধু এনারাই নন যারা অসুস্থ ব্যক্তি, বয়স্ক ব্যক্তি তাঁরাও কোনোভাবে যেতে পারছেন না সিইএসসির দপ্তরে, ফলে তাদেরও হয়রানি বাড়ছে। এছাড়া যারা যথাযথভাবে আবেদনপত্র লিখতে পারছেন না , তাঁরাও এই লকডাউনে অন্যের সাহায্য নিতে না পেরে সমস্যায় পড়েছেন। বাংলা পক্ষের তরফে ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট ইলেক্ট্রিসিটি ড্রিসট্রিবিউশান কোম্পানি লিমিটেড ও সিইএসসিকে সমস্যার দ্রুত বিহিত করার আবেদন জানানো হয়েছে।
শুধু তাই নয়, সিইএসসি এবং ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট ইলেক্ট্রিসিটি ড্রিসট্রিবিউশান কোম্পানিকে এই ভুলের জন্য মানুষের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবিও করেছে বাংলা পক্ষ। এছাড়াও তাঁরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি শীঘ্রই এই সমস্যার সমাধান না হয় তবে সাধারণ মানুষকে নিয়ে বাংলা পক্ষ বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবে।





