পচাগলা দেহগুলির গলায় আঁকশি গেঁথে হিড়হিড় করে টেনে হিঁচড়ে তোলা হচ্ছে গাড়িতে। এমনই এক ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল সাইটে। আর তাই থেকেই ছড়ায় উত্তেজনা। তাহলে কি আশঙ্কা সত্যি? করোনায় মৃতদের দেহ পাচার হচ্ছে? এই নিয়েই গতকাল ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় গড়িয়া শ্মশান চত্বরে। শ্মশানের সামনে বিক্ষোভ শুরু হয় স্থানীয়দের।
https://twitter.com/jdhankhar1/status/1271053240084226048?s=20
https://twitter.com/jdhankhar1/status/1271056480666443783?s=20
স্বাস্থ্য দফতর বলছে এগুলি অজ্ঞাতপরিচয় ও বেওয়ারিশ লাশ। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, মৃতদের কেউই করোনা আক্রান্ত ছিলেন না বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। এগুলি অজ্ঞাতপরিচয় ও দাবিদারহীন মৃতদেহ। এনআরএস মেডিক্যাল কলেজের মর্গে ছিল ১৪টি মৃতদেহ। দাবিদার না মেলায় নিয়ম মতো, ১৫ দিন পর সেগুলি সৎকারের জন্য পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, বুধবার গড়িয়া শ্মশানে বেশ কয়েকটি মৃতদেহ সত্কারের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁদের অভিযোগ ছিলো, মৃতদেহগুলি করোনা আক্রান্তদের। এই নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ওই এলাকা। স্থানীয় বাসিন্দাদের বাধায়, শেষমেষ, সত্কার না করেই ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় মৃতদেহগুলি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন স্থানীয় বাম কাউন্সিলর চয়ন ভট্টাচার্য। বিষয়টি আগে জানানো হয়নি কেনও? এই প্রশ্ন তোলেন তিনি। যদিও এই অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছে কলকাতা পুরসভার শ্মশান কর্তৃপক্ষ।
পুরসভা সূত্রে খবর, গত ২৯শে মে একটি নির্দেশিকা জারি হয়। সেখানে বলা হয় দাবিদারহীন মৃতদেহগুলি গড়িয়া মহাশ্মশানে সৎকার করা হবে।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করে ট্যুইটও করে ফেলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি লেখেন, ‘অমানবিক, অবর্ণনীয়, অসংবেদনশীলভাবে মৃতদেহের শেষকৃত্য করা হচ্ছে। সমাজের প্রথা অনুযায়ী, শ্রদ্ধা ও সম্মানের সঙ্গে মৃতদেহের সত্কার করা উচিত। যেভাবে মৃতদেহের শেষকৃত্য হচ্ছে, তাতে আমি উদ্বিগ্ন। এই ঘটনা নিয়ে স্বরাষ্ট্রসচিবের কাছে তথ্য তলব করেছি।’





