পুজোর আগে মহিলা স্পেশাল লোকালে চালু প্রথম শ্রেণীর কোচ, কিন্তু শুরুতেই বিতর্ক তুঙ্গে, কী ঘটল এমন?

যেমন কথা ছিল, তেমনই হল। দুর্গাপুজোর আগেই লোকাল ট্রেনের মহিলা স্পেশাল ট্রেনের একটি কোচকে প্রথম শ্রেণীর কোচের রূপ দেওয়া হল। শিয়ালদহ-রাণাঘাট মাতৃভূমি স্পেশাল ট্রেনে এই প্রথম শ্রেণীর কোচ চালু করছে পূর্ব রেল। মাতৃশক্তিকে শ্রদ্ধা জানাতেই এই উদ্যোগ নিল রেল। কিন্তু এই নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে নানাম বিতর্ক।

কেমন দেখতে হবে এই প্রথম শ্রেণীর কোচ?

জানা গিয়েছে, মহিলা স্পেশাল ট্রেনের এই প্রথম শ্রেণীর কোচে থাকবে কুশনযুক্ত আসন। মেঝেতে পাতা থাকবে মাদুর বা কার্পেট আর ট্রেনের বগির দেওয়ালে থাকবে নানান ছবি। এছাড়াও এই বগিতে মিলবে নানা স্বাচ্ছন্দ্য, এমনটাই জানাল রেল।

পুজোর আগে মহিলা স্পেশাল লোকালে চালু প্রথম শ্রেণীর কোচ, কিন্তু শুরুতেই বিতর্ক তুঙ্গে, কী ঘটল এমন?

কিন্তু পূর্ব রেলের এমন সিদ্ধান্তে রেল ক্ষুব্ধ যাত্রীরা। এক যাত্রীর কথায়, এমন করে বেকার ঝামেলা বাড়বে। তাঁর কথায়, “এই কোচের ভাড়া হবে সাধারণ লোকাল ট্রেনের ভাড়ার চেয়ে দুই বা তিনগুণ বেশি”।

এই ভাড়া বৃদ্ধি নিয়েই বাঁধবে বিপত্তি। ভিড়ের ব‌্যস্ত সময়ে সাধারণ টিকিট কেটেই প্রথম শ্রেণির কোচে সফর করবেন যাত্রীরা। আর গন্তব্যে পৌঁছে ধরা পড়তে হবে টিকিট পরীক্ষকের হাতে। আর এর জেরে এক উত্তেজনার সৃষ্টি হবে বলে মনে করছেন যাত্রীরা। রেলকর্তাদের একাংশ জানাচ্ছেন, এর আগেও লোকাল ট্রেনে প্রথম শ্রেণির কামরা ছিল। আলাদা ভাড়াও ছিল। কিছু সমস্যা দেখা দেওয়ায় তা তুলে দেওয়া হয়।

কোথায় ছিল এমন ব্যবস্থা?

রেল সূত্রে খবর, বেশ কিছু বছর আগে হাওড়া-খড়গপুর শাখায় এমন প্রথম শ্রেণীর কোচ চালু করেছিল দক্ষিণ-পূর্ব রেল। প্রতিদিনই যাত্রীরা না জেনে সেই কোচে উঠে যেতেন। আর ধরাও পড়তেন। এত সব ঝামেলার কারণেই সেই কোচ তুলে দেওয়া হয়। রেল আধিকারিকদের একাংশের প্রশ্ন, তাহলে ফের নতুন করে এমন ব্যবস্থা চালু করার কী মানে?

এই বিষয়ে পূর্ব রেলের সিপিআরও কৌশিক মিত্র বলেন, “ভাড়ার জন‌্য হিসেব নিকেশ চলছে। তবে এই প্রথম পূর্ব রেলে শিয়ালদহে এটা চালু হতে যাচ্ছে”।

আরও অন্যান্য খবর