West Bengal SIR: পশ্চিমবঙ্গ–সহ ১২ রাজ্যে হঠাৎ SIR-এর তারিখ পিছিয়ে দিল কমিশন! বিএলওদের অতিরিক্ত চাপ, অসুস্থতা ও আত্মহত্যার অভিযোগ কি এই সিদ্ধান্তের আসল কারণ? উত্তাল রাজনৈতিক মহল!

SIR সংক্রান্ত জটিলতার মাঝে ভোটারদের জন্য কিছুটা সময় শিথিল করল কমিশন। খসড়া ও চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের দিন পিছিয়ে দেওয়ার ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। দেশের বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে চলমান বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বা এসআইআর-এর কাজের চাপ কিছুটা কমাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গসহ ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআর প্রক্রিয়া চলমান। ৪ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়ায় বুথ স্তরের কর্মকর্তা (বিএলও) বাড়ি বাড়ি ঘুরে এনুমারেশন ফর্ম বিতরণ ও সংগ্রহ করছেন। কমিশনের ওয়েবসাইটে ফর্ম আপলোড করাও তাদের দায়িত্ব। মূলত এই তথ্যের ভিত্তিতে খসড়া ভোটার তালিকা তৈরি করা হবে। আগে খসড়া তালিকা প্রকাশের দিন নির্ধারিত ছিল ৯ ডিসেম্বর, কিন্তু এখন তা ১৬ ডিসেম্বর করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এনুমারেশন ফর্ম জমা নেওয়া এবং কমিশনের পোর্টালে আপলোডের শেষ দিন এখন ১১ ডিসেম্বর। এরপর ১২ থেকে ১৫ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রস্তুত করার কাজ চলবে। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর, ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ভোটাররা যে কোনও অভিযোগ বা সংশোধনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এরপর ইআরওরা অভিযোগ যাচাই, বিতর্ক নিষ্পত্তি এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে শুনানির মাধ্যমে তথ্য নিশ্চিত করবেন।

চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হবে। এই সময়সীমা পর্যন্ত সমস্ত অভিযোগ ও সংশোধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। পশ্চিমবঙ্গের বাইরে গুজরাত, ছত্তীসগড়, গোয়া, কেরল, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, লক্ষদ্বীপ, মধ্যপ্রদেশ, পুদুচেরী, রাজস্থান, তামিলনাড়ু ও উত্তরপ্রদেশেও একই প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুনঃ Breaking news : বাংলাদেশের নতুন সরকারের ‘বিতর্কিত’ পদক্ষেপে নড়েচড়ে বসল দিল্লি! শিলিগুড়ি করিডোরে রাফালে–ব্রহ্মোস নিয়ে প্রস্তুতি জোরদার!

বিএলও-দের উপর কাজের চাপ ও দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালন করতে হওয়ায় মানসিক ও শারীরিক চাপ বেড়েছে। পশ্চিমবঙ্গের কিছু এলাকার রিপোর্টে দেখা গেছে, অতিরিক্ত চাপের কারণে কিছু বিএলও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এমন পরিস্থিতি বিবেচনা করেই কমিশন তারিখ পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও এখনও কমিশন এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কারণ প্রকাশ করেনি, তবুও আশা করা হচ্ছে, নতুন সময়সীমা কাজে সহায়ক হবে এবং ভোটার তালিকার সঠিকতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

RELATED Articles