Breaking news : বাংলাদেশের নতুন সরকারের ‘বিতর্কিত’ পদক্ষেপে নড়েচড়ে বসল দিল্লি! শিলিগুড়ি করিডোরে রাফালে–ব্রহ্মোস নিয়ে প্রস্তুতি জোরদার!

বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই সীমান্ত লাগোয়া ভারতীয় রাজ্যগুলিতে অস্বস্তি বাড়ছে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গে অবস্থিত সিলিগুড়ি করিডোর—যাকে কৌশলগত কারণে ‘চিকেনস নেক’ বলা হয়—সেই এলাকায় নজর এখন আরও বেশি। সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ দেখে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বাংলাদেশের অবস্থান পরিবর্তনের জেরে ভারতের নিরাপত্তা ভাবনাতেও বড়সড় বদল আসতে পারে।

হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতীয় সেনার টহল এবং নজরদারি দুটোই জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত পেরিয়ে কোনও ধরনের অনুপ্রবেশের সম্ভাবনা এড়াতে সেনা থেকে আধাসেনা—সব বাহিনীই সতর্ক। অন্যদিকে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে লস্কর–ই–তৈবা প্রধান হাফিজ সইদের নতুন পরিকল্পনা। গোয়েন্দা সূত্রে ইঙ্গিত, বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে আরেকটি সন্ত্রাসমুখী ফ্রন্ট খোলার চেষ্টা চলছে। এসব মিলিয়ে পূর্বোত্তরের প্রবেশদ্বার সিলিগুড়ি নিয়ে উদ্বেগ বাড়তেই শুরু করেছে।

এই অবস্থাতেই জানা যাচ্ছে, শিলিগুড়িকে ঘিরে সেনা কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে। ধুবড়ির কাছে বামুনি, বিহারের কিষণগঞ্জ এবং উত্তরবঙ্গের চাপড়ায় তিনটি নতুন সামরিক ঘাঁটির কাজ চলছে দ্রুতগতিতে। শুধু প্রতিরক্ষা নয়, এসব ঘাঁটিকে এমনভাবে সাজানো হচ্ছে যাতে প্রয়োজনে দ্রুত বাহিনী মোতায়েন সম্ভব হয়। পাশাপাশি গোয়েন্দা ইউনিট, প্যারা স্পেশাল ফোর্স এবং অত্যাধুনিক সরঞ্জাম রাখা হচ্ছে। সেনার অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, কোনওভাবেই এই করিডোরের নিরাপত্তায় ঢিলেমি দেওয়া হবে না।

প্রতিরক্ষা মহলে শোনা যাচ্ছে, এই অঞ্চলে ইতিমধ্যেই রাফালে যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা কাঠামো স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিরক্ষার পাশাপাশি এই এলাকাকে কৌশলগত আক্রমণ-ক্ষেত্র হিসেবেও প্রস্তুত রাখছে সেনা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি বাংলাদেশের প্রতি ভারতের একটি স্পষ্ট বার্তা—উত্তর–পূর্ব ভারতের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও আপস নয়। একসময় যাকে দুর্বল এলাকা হিসেবে দেখা হতো, সেই সিলিগুড়ি করিডোর এখন কার্যত শক্ত ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ Kolkata : কলকাতার বাইপাসে বিবাহিতা তরুণীকে গাড়িতে তুলে মাদক খাইয়ে নি*গ্রহ! পরিচিত যুবকই কি মূল ষড়যন্ত্রকারী? গ্রেপ্তার আলতাফ, বাকিদের খোঁজে পুলিশ!

বাংলাদেশে নতুন প্রশাসনের প্রধান ইউনুসের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক আচরণও ভারতকে আরও সতর্ক করেছে। কয়েকদিন আগে ঢাকায় পাকিস্তানের জয়েন্ট চিফ জেনারেল সাহির শামশাদ মির্জাকে তিনি যে মানচিত্র উপহার দেন, তাতে অসম সহ ভারতের একাধিক উত্তর–পূর্ব রাজ্যকে বাংলাদেশের অংশ হিসেবে দেখানো হয়। তা ঘিরেই ফের তীব্র বিতর্ক। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ায় বিএসএফ, সিআরপিএফ, আইটিবিপি, এসএসবি, সিআইএসএফ—সব বাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি হাসিমারা ও বাগডোগরা বিমানঘাঁটিকেও উচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে।

Jui Nag

আমি জুই নাগ, পেশায় নিউজ কপি রাইটার, লেখালেখিই আমার প্যাশন। বিনোদন, পলিটিক্স ও সাম্প্রতিক খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরাই আমার লক্ষ্য। তথ্যভিত্তিক ও আকর্ষণীয় কনটেন্টের মাধ্যমে সঠিক সংবাদ পৌঁছে দিই।

আরও পড়ুন

RELATED Articles