“পিছনের দরজা দিয়ে ঢুকে প্রশাসক হয়েছেন”, রাজভবনে দাঁড়িয়ে ফিরহাদ হাকিমকে কটাক্ষ করলেন দিলীপ ঘোষ

এপ্রিলের মাঝামাঝি নাগাদ পুরভোট-এর প্রস্তাব ছিল রাজ্য সরকার-এর। কিন্তু সেই আশা আর পূরণ হলো না। তার আগেই দেশে করোনা সংক্রমন দেখা দেয়। আর সেই অবস্থায় দেশে জমায়েতের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে কেন্দ্র। তাই ওই পরিস্থিতিতে পুরভোটের প্রচার ঘিরে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এরপরই সবকটি রাজনৈতিক দল পুরভোট বন্ধ করার পক্ষে সওয়াল করে। সেই সময় রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে আলাপ আলোচনার পর নির্বাচন কমিশনও পুরভোট স্থগিত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়।

এরপর সংক্রমন ঠেকাতে দেশব্যাপী লকডাউন শুরু হয়। দু-দফা পেরিয়ে এখন তৃতীয় দফায় লকডাউন চলছে। কিন্তু এর মধ্যেই পুরসভার মেয়র হিসেবে ফিরহাদ হাকিমের মেয়াদ ফুরচ্ছে। তাই কলকাতা পুরসভার ইতিহাসে প্রথমবার প্রশাসক বসানো হয় পশ্চিমবঙ্গে। কলকাতা পুরসভার প্রশাসক হন ফিরহাদ হাকিম। রিমুভ্যাল অফ ডিফিকাল্টিস অ্যাক্ট-এ ফিরহাদ হাকিমকেই প্রশাসক করা হয়।

৭ই মে মেয়র হিসেবে ফিরহাদ হাকিমের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরই আজ অর্থাৎ ৮ই মে থেকে আবার প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন বর্তমান মেয়র ফিরহাদ হাকিম-ই।

এই ঘটনার চূড়ান্ত বিরোধিতা করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি মন্তব্য করেছিলেন ‘এটা তো আগে থেকে ওদের ভাবা ছিল, যে ফিরহাদ হাকিমকেই পুরসভার মেয়র করা হবে। তাই ওরা পুরভোটের তারিখ পিছিয়েছে নানা অজুহাতে। এখন করোনার অজুহাতে প্রশাসক বসাচ্ছে। ফিরহাদকে প্রশাসক করা খুব অন্যায় কাজ। ওরা নিজেদের শাসন যেভাবেই হোক বজায় রাখতে চায়। কিন্তু যদি ভোটের পর সব হাতছাড়া হয়ে যায় তাই ওদের ভোট করতে এত ভয়।’ আজ আবার আজ রাহুল সিনহা্কে সঙ্গী করে তিনি রাজভবনে যান। সেখানে দাঁড়িয়েই তিনি বলেন যেভাবে পিছনের দরজা দিয়ে ফিরহাদ হাকিমকে প্রশাসক করা হলো তাতে করে সংবিধানের নিয়ম লঙ্ঘিত হয়েছে। এবং তিনি চান কলকাতা কর্পোরেশনের নাগরিকরা যেন সুবিচার পান। সংবিধানের প্রতিনিধি হিসেবে তাই তাঁরা রাজ্যপালের কাছে লিখিত অভিযোগ জানাতে এসেছিলেন এই ব্যাপারে ‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌ বলে জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ।

RELATED Articles

Leave a Comment