অবশেষে কলকাতা থেকে দিল্লি মুম্বাইয়ে চালু আংশিক বিমান পরিষেবা, তবে নামবে না কোন বিমান

দিল্লি, মুম্বাই, চেন্নাইসহ ছটি শহর থেকে কলকাতায় বিমান আনাগোনার নিষেধাজ্ঞা আংশিক শিথিল হল। তবে কলকাতা বিমানবন্দর সূত্রানুযায়ী এই ছোট শহর থেকে কলকাতায় উড়ান আমার খেতে এখনো নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। তবে কলকাতা থেকে উড়ান ছাড়ার ক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ না থাকায় ধাপে ধাপে শুরু হচ্ছে দিল্লি মুম্বাইয়ের উড়ান। গত সোমবার থেকে এই বিমান পরিষেবা চালু হয়েছে।

করণা সংক্রমণ রুখতে দেশের ছটি শহর থেকে বিমান ওঠানামায় আপত্তি জানায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার। দিল্লি মুম্বাই চেন্নাই নাগপুর এবং আমেদাবাদ থেকে আগামী সেপ্টেম্বরের আগে কলকাতায় বিমান নামবে না সে কথা আগেই বলা হয়েছে। ওই সব শহর থেকে যাতে বিমান না আসে, সেই অনুরোধ জানিয়ে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে কেন্দ্রীয় সরকারকে চিঠি দেন রাজ্যের মুখ্যসচিব রাজীবা সিনহা। নবান্নের যুক্তি অনুযায়ী ওই ছটি শহর থেকে কলকাতায় যাত্রীরা এলে রাজ্যে করোনার মাত্রা বাড়বে। এ কথা ভেবেই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আর্জি জানায় রাজ্য সরকার। রাজ্যের আর্জি মেনে ৬ -১৯ জুলাই ওই ছয় শহরের বিমান যাতায়াতের ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। পরে তা ৩১ জুলাই পর্যন্ত বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফের ওই নিষেধাজ্ঞা বাড়িয়ে ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত করা হল। যদিও রাজ্যের এই যুক্তি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে নানা মহলে, কারন ঐ সব রাজ্যের যাত্রীরা বিমানে না আসতে পারলেও তারা অন্যান্য উপায়ে রাজ্যে আসছেন। কারণ যাত্রীদের আশায় কোনো বাধা নেই। কিন্তু এক্ষেত্রে যাত্রীদের পয়সাও বেশি খরচ হচ্ছে এবং অনেক ধকলও যাচ্ছে। এ নিয়ে কিছু মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।

সূত্র অনুযায়ী জানা যাচ্ছে ইন্দিগো কলকাতা থেকে দিল্লি ও মুম্বাইগামী কয়েকটি বিমান চালাবে। ইন্ডিগোরই একটি বিমান সোমবার কলকাতা থেকে দিল্লি উড়ে গেছে বলে জানা গেছে। কলকাতা থেকে গমনকারী বিমান চালানোর পথে ইন্ডিগো ছাড়াও ভিস্তারা, গো এয়ারও রাজি হয়েছে।

উল্লেখ্য কলকাতা থেকে উক্ত ছটি শহরে বিমান চালানো নিয়ে রাজ্য কোনো আপত্তি করেনি। কিন্তু শুধু গমনকারী বিমান চলাচলে লাভ না হওয়ার যুক্তিতে ছটি রুটে বিমান চলাচল বন্ধ ছিল সম্পূর্ণভাবে। যদিও উক্ত ছটি শহরের রুটে চাহিদার বাড়বাড়ন্ত হওয়ায় বিমান সংস্থাগুলি একপিঠের উড়ান চালু করছে। বিমানবন্দরের এক কর্তার কথায়, “রাজ্য সরকারের অনুমোদন মেলায় আমরা খুশি। এমনিতেই বিমান শিল্পের প্রভূত ক্ষতি হয়েছে। এ বার অল্প অল্প করে পরিষেবা চালু না হলে ওই শিল্পে যুক্ত কর্মীদের ক্ষতি হবে।”

প্রতিবেদনটি লিখেছেন – অন্তরা ঘোষ

Khabor24x7 Desk

আরও পড়ুন

RELATED Articles

Leave a Comment