বারাণসীর আদলেই রাজ্যের নানান গঙ্গার ঘাটেও গঙ্গা আরতি হবে, এমনটাই ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সেই ইচ্ছা পূরণ হয়েছে। রাজ্যের নানান গঙ্গার ঘাটে শুরু হয়েছে গঙ্গা আরতি। কলকাতার বাজে কদমতলা ঘাটে প্রতিদিন সন্ধ্যেবেলা এই গঙ্গা আরতি দেখতে ভিড় জমান বহু দর্শনার্থী। বিনামূল্যে এই গঙ্গা আরতি দেখার সুযোগ কেউই খোয়াতে চান না আর কি। এবার গঙ্গা আরতি দেখার পাশাপাশি ভোগও পাবেন দর্শনার্থীরা।
সূত্রের খবর, সপ্তাহে একদিন, শনিবার করে গঙ্গা আরতির পর বিতরণ করা হবে ভোগ। এই ভোগ দেওয়ার বন্দোবস্ত করল কলকাতা পুরসভা। ইতিমধ্যেই এই প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। জানা গিয়েছে, এবার থেকে প্রতি শনিবার গঙ্গা আরতি দেখার পর খিচুড়ি ও লাবড়া পাবেন দর্শনার্থীরা। আরতি দর্শনের পর এই ভোগ উপরি পাওনা বলেই মনে করছেন দর্শনার্থীরা।
পুরসভা সূত্রে খবর, প্রতিদিন সন্ধেবেলা এই গঙ্গা আরতি দেখার জন্য প্রায় হাজারের উপর দর্শনার্থী আসেন বাজে কদমতলা ঘাটে। শনিবার, সপ্তাহের শেষদিনে এই ভিড় আরও একটু বেশি থাকে। তাই সেই দিনগুলিতেই ভোগ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এই ভোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। এর জন্য আয়োজনও বিশাল করা হয়েছে। প্রায় ১০০ কেজি চাল, ৫০ কেজি ডাল, ৩ থেকে ৫ কেজি ঘি, কাজু, কিসমিস ও বিভিন্ন সবজি ও মশলা দিয়ে তৈরি হবে এই খিচুড়ি ভোগ। আর সঙ্গে থাকবে পাঁচমিশালি সবজি দিয়ে তৈরি একটা লাবড়া।
বাজে কদমতলা ঘাটে গঙ্গা আরতি শুরুর আগে ঘাটে গঙ্গা দেবীর মন্দির তৈরি হয়েছে। সেই মন্দিরে গঙ্গা দেবীর মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে। প্রতি শনিবার সেই মন্দিরের সামনেই খিচুড়ি ভোগ বিতরণ করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। শালপাতার বাটিতে করে এই ভোগ দেওয়া হবে দর্শনার্থীদের। আগামীদিনে এই ভোগ বিতরণের দিন বাড়াতে পারে বলে কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর। এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে এই ভোগ তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।





