আগামীকাল ভ্যালেন্টাইনস ডে। আবার এদিন সরস্বতী পুজোও বটে। আর ঠিক এর আগেরদিনের সন্ধ্যায় ঘটে গেল এক বড় বিপত্তি। মেট্রো লাইনে ঝাঁপ দুয়ে আ’ত্ম’হ’ত্যার চেষ্টা এক যাত্রীর। অফিস ফেরার ব্যস্ত সময়ে এমন ঘটনা ঘটায় হয়রানি যাত্রীদের। এই ঘটনার জন্য বিঘ্নিত হয় মেট্রো চলাচল।
অন্যান্য দিনের মতোই আজ, মঙ্গলবার সন্ধ্যাতেও মেট্রো স্টেশনে দেখা গিয়েছিল সেই একই ব্যস্ততা। মেট্রোয় ভিড়ও ছিল স্বাভাবিকের মতোই। এরই মধ্যে ঘটে গেল বিপদ। এদিন সন্ধ্যা ৬টা ৯ মিনিট নাগাদ যতীন দাস পার্ক মেট্রো স্টেশনে মেট্রো লাইনে ঝাঁপ দেন এক মহিলা। কবি সুভাষ থেকে দমদমগামী লাইনে আ’ত্ম’হ’ত্যার চেষ্টা করেন তিনি।
আচমকা এমন ঘটনা ঘটায় অন্যান্য যাত্রীদের মধ্যে চাঞ্চল্য তৈরি হয়। মেট্রো রেল কর্মীরা দ্রুত ছুটে আসেন। ওই মহিলাকে লাইন থেকে উদ্ধারের কাজ শুরু হয়। এই ঘটনার জেরে বিঘ্নিত হয় মেট্রো পরিষেবা। আটকে পড়েন যাত্রীরা। নাজেহাল অবস্থা হয় তাদের।
মেট্রো রেল সূত্রে খবর, মেট্রো পরিষেবা এখনও স্বাভাবিক হয়নি পুরোপুরি। আপাতত মেট্রো চলাচল করছে ময়দান থেকে দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত ও মহানায়ক উত্তম কুমার থেকে কবি সুভাষ পর্যন্ত। যে মহিলা আ’ত্ম’ঘা’তী হওয়ার চেষ্টা করেছেন, তার পরিচয় এখনও জানা যায়নি। কেন তিনি এমন ঘটনা ঘটালেন, তাও এখনও স্পষ্ট নয়।
প্রসঙ্গত, মেট্রোতে এমন ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও মেট্রো লাইনে ঝাঁপ দিয়ে আ’ত্ম’হ’ত্যার চেষ্টা করার ঘটনা ঘটেছে। তবে কলকাতার যানজট এড়িয়ে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে কম সময়ে যাতায়াত করতে মেট্রোর উপরেই ভরসা করেন শহরবাসী। ব্যস্ত শহরে সহজতম যান ব্যবস্থা হল মেট্রো। শুধুমাত্র শহর নয়, শহরতলি তো বটেই, মফঃস্বলের মানুষও মেট্রোতে নিত্যদিন যাতায়াত করেন। সেখানে ব্যস্ত সময়ে এমন আ’ত্ম’হ’ত্যার চেষ্টার ঘটনায় পরিষেবা বিঘ্নিত হলে যাত্রীরা বেশ ভোগান্তিতে পড়ে যান।





