Madan Mitra supported Sayantika: দীর্ঘদিন ধরেই তিনি অসুস্থ। কিছুমাস আগেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে তিনি ভর্তি ছিলেন এসএসকেএম হাসপাতালে। কাঁধে অস্ত্রোপচার হয় তাঁর। অসুস্থতার কারণে একেবারে ভেঙে গিয়েছে শরীর। কিছুদিন আগেই তাঁর একটি ছবি সামনে এসেছিল, যাতে সেই ‘কালারফুল’ মদন মিত্রকে যেন চেনাই যাচ্ছিল না। ভোটের প্রচারেও সেভাবে নেই তিনি। তবে এবার তৃণমূল প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য মুখ খুললেন তিনি (Madan Mitra supported Sayantika)।
চলছে লোকসভা নির্বাচন। তৃতীয় দফার ভোট হয়ে গিয়েছে। এখনও বাকি চার দফার ভোট। তবে এই লোকসভা ভোটের সঙ্গেই বরানগরে হবে বিধানসভা উপনির্বাচনও। কারণ এই বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তাপস রায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। এই কেন্দ্র থেকে বিধানসভা উপনির্বাচনের জন্য তৃণমূলের তরফে প্রার্থী করা হয়েছে সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিজেপির তরফে প্রার্থী করা হয়েছে সজল ঘোষকে। দু’জনেই জোরদার প্রচার চালাচ্ছেন। আর প্রচারে গিয়ে একে অপরকে আক্রমণ করতেও ছাড়ছেন না।
সজল কী বলেছেন সায়ন্তিকাকে?
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সজল ঘোষকে বলতে শোনা যায়, “সায়ন্তিকা হোক আর অ্যাকোয়াটিকা হোক, আমাদের কোনও আপত্তি নেই। আমাদের লড়াই দলনেত্রীর বিরুদ্ধে। তিনি আরও বলেন, ওই দলে একটাই মুখ, সবাই মুখোশ। তাই তে অভিনেত্রীর মুখোশ পরে আসবেন, ডাক্তারের মুখোশ পরবেন, আমাদের জানার দরকার নেই”।
সজলের এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই এবার সজলকে পাল্টা আক্রমণ করেন মদন মিত্র (Madan Mitra supported Sayantika)। গতকাল, শুক্রবার প্রচার মঞ্চে দেখা যায় তাঁকে। সেখান থেকেই আক্রমণাত্মক সুরে মদনকে বলতে শোনা যায়, “একটা ছোট্ট ফুটফুটে মেয়ে। তার নাম সায়ন্তিকা। তাকে বলছে সায়ন্তিকা না.. ও তো অ্যাকোয়াটিকা! আমি বলি, সায়ন্তিকা অ্যাকোয়াটিকা, ইকোপার্ক না নিকোপার্ক ওটা আমি ১ জুন তোমাদের বুঝিয়ে দেব” (Madan Mitra supported Sayantika)।
এরপর তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশে মদন বলেন, “তাজা হয়ে তৈরি থাকুন। ভোর ৬টার সময় নির্দেশ পেয়ে যাবেন, কী করতে হবে ভোটের দিন। কীভাবে মানুষকে সাহায্য করতে হবে ভোট দেওয়ার জন্য। পৃথিবীতে কারও ক্ষমতা নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডানা ছেটে দেয়” (Madan Mitra supported Sayantika)।





