টিটাগড় শুট আউট: মণীশ শুক্লের ময়নাতদন্ত নিয়ে পুলিশ-বিজেপি কর্মী সংঘর্ষে রণক্ষেত্র এন আর এস হাসপাতাল!

টিটাগড় থানার সামনে বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লর শুটআউটে রীতিমতো উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। এবার সোমবার নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গন্ডগোল। মণীশ শুক্লর দেহের ময়নাতদন্ত নিয়ে নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল চত্বর হয়ে উঠেছিল রীতিমতো যুদ্ধ ক্ষেত্র। আজ হাসপাতাল চত্বর পুলিশে ঘেরা ছিল কিন্তু পুলিশদের টপকে হাসপাতালে ঢোকার চেষ্টা করেন বিজেপি কর্মীরা। তাই হাসপাতালে গেটের সামনে বেঁধে যায় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি যদিও পরে কৈলাস বিজয়বর্গীয় সহ বিজেপির নেতাদের হাসপাতালে ঢুকতে দেওয়া হয়।

গতকাল সন্ধ্যায় টিটাগড়ের পার্টি অফিসের সামনে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লর। এর অল্প দূরত্বে ছিল টিটাগড় থানা। সোমবার নীলরতন সরকার কলেজ হাসপাতালে তার দেহের ময়নাতদন্ত হয়। এরপর তার দেহ নেওয়ার জন্য হাসপাতালে হাজির হন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, লকেট চট্টোপাধ্যায়, সব্যসাচী দত্ত, অর্জুন সিং সহ বিজেপির হাজার হাজার কর্মী।

পুলিশ এই বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বকে হাসপাতালে ঢুকতে বাধা দেয়। বাধাপ্রাপ্ত হন হাজার হাজার কর্মী। পুলিশের দেওয়া ব্যারিকেড ভেঙে ফেলার চেষ্টা করেন বিজেপি কর্মীরা তখন পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয় তাদের। এরপর বিজেপি নেতাদের হাসপাতালে ঢোকার অনুমতি দেয় পুলিশ তবে শর্ত ছিল একটাই মণীশ শুক্লর পরিবারের সঙ্গে ঢুকতে হবে।

পুলিশ জানায় যে, এনআরএসে এখন করোনার চিকিৎসা চলছে তাই এত জনকে ঢুকতে দেওয়া যাবে না। অন্যদিকে বিজেপির অভিযোগ রাজ্য সরকার এই বিজেপি নেতার দেহ লোপাট করে দেওয়ার চেষ্টা করছে। বিজেপি নেতা অরবিন্দ মেনন বলেন, ‘রাতের অন্ধকারে দেহ পাচার করার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।’

মণীশ শুক্ল ব্যারাকপুরে সাংসদ বিজেপি নেতা অর্জুন সিং এর ডান হাত ছিলেন। তার দাবি পুলিশের সঙ্গে হাত মিলিয়ে পুলিশের বন্দুক দিয়ে এই খুন করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে মমতা তন্ত্র শুরু হয়েছে। কিন্তু আমরা একে ভয় পাইনা।

RELATED Articles

Leave a Comment