টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে যেখানে তার অভিনয়, তার বাংলা নিয়ে ট্রোল, মিম তৈরি হয় আজ এই সংকটের দিনে তার কাজ মানুষকে মুগ্ধ করছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘খোকাবাবু’ সব সময়ই কোনো না কোনো সিনেমার কারণে সমালোচিত হতেন। এবার তিনি প্রশংসা কুড়োচ্ছেন তাঁর সংসদ হিসেবে কাজের জন্য। মানুষটা নিজের সমালোচনাকে হাসি মুখে মেনে নিয়ে জন আবার নতুম আবার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন তিনি তেমনি প্রশংসাকে গ্রহণ করেও মানুষের কাজ করে চলেছেন। আমাদের সবার অতি পরিচিত নাম দেব ওরফে দীপক অধিকারী, অভিনেতা-তৃণমূল সাংসদ যেন হয়ে উঠেছেন বাংলার ‘সোনু সুদ’। সম্প্রতি দুই অন্তঃসত্ত্বা-সহ ৩৬ জন পরিযায়ী শ্রমিককে নেপালের সীমা পেরিয়ে ঘাটালে ফিরিয়েছিলেন দেব। এবার সেই সংখ্যাটা আরও বহুগুণ বাড়ল।
দেবের উদ্যোগে এবার নেপাল থেকে ঘরে ফিরলেন আরও ২৫০ জন পরিযায়ী শ্রমিক। তাঁরা সকলেই পশ্চিম মেদিনীপুরের বাসিন্দা। করোনার হানাহানিতে বহুদিন তারা অসহায় অবস্থায় পড়েছিলেন নেপালে। এবার তাঁরা যোগাযোগ করেন দেবের সঙ্গে। তাদের এই আর্তনাদ শুনে একমুহূর্তও দেরি করেননি দেব। শুরু করেন ওদের বাড়ি ফিরিয়ে আনার কাজ।
M sorry but I just had to post this 🙏🏻 pic.twitter.com/IAXTin8lhO
— Dev (@idevadhikari) June 5, 2020
ওই পরিযায়ী শ্রমিকদের অনেকেরই কাছে কোনো প্রয়োজনীয় নথি ছিল না। তাই সেই বিষয়ে রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। এরপরই যেন রাতারাতি বাসের সব ব্যবস্থা সম্পন্ন করে পরিযায়ীদের ফেরানোর ব্যবস্থা করেন তিনি। রবিবার এক সাংবাদিক বৈঠক করে দেব জানান, ‘মানুষ হিসেবে মানুষের প্রতি আমাদের কিছু দায়িত্ব থাকে। তাই আমি ওদের কথা ভেবে ওদের সাহায্য করেছি। এই ২৫০ জন পরিযায়ী শ্রমিককে রাজ্যে ফিরিয়ে এনার পর আপাতত সরকারি নির্দেশিকা মেনে হোম কোয়ারানটিনেই থাকতে বলা হয়েছে।’ তবে সব কৃতিত্ব তিনি এক নেন নি।পরিযায়ীদের ফেরাতে রাজ্য সরকারকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।
এটাই প্রথম নয় এর আগে গরিব মানুষদের ত্রাণ দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, ‘এক কিলো চাল ডালের জন্য আমি কারোর নাম, বা বাবার নাম জানতে চাইতে পারি না। এতে আমার মানবিকতায় লাগে।’ অভিনেতা-সাংসদের সেই মন্তব্যই বহু সাধারণ মানুষের মন জয় করে নিয়েছিল।
কিছুদিন আগে বর্ণবৈষম্যের দাবিতে বা কেরলের নৃশংসতা নিয়ে যখন সব তারকারা নিজেদের মতামত ব্যক্ত করছেন টুইটারের মাধ্যমে তখন তিন গর্জে উঠে বলেন,’আজ দেখছি ভারতীয় সেলিব্রিটিরা #BlackLivesMatter বা হাতি হত্যার প্রতিবাদ করছে। আমি এই বিষয়ে সম্পূর্ণ শ্রদ্ধা রাখে দুটি ঘটনাতেই তাঁদের পাশে দাঁড়াচ্ছি। কিন্তু আমাদের দেশে অসহায় পরিযায়ীরা যখন বাড়ি ফেরার তাগিদে ক্ষুধা, পিপাসা নিয়ে পায়ে প্লাস্টিক বোতলের জুতো পড়ে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে যাচ্ছিলেন কিংবা ট্রেনের চাকায় ঘুমন্ত শরীরগুলো টুকরো-টুকরো হয়ে গেলে তখন কেন কোনো প্রতিবাদ বা হ্যাশট্যাগ দেখতে পেলাম না।সে টা কি জরুরি ছিল না? নাকি তাঁদের জীবনের কোনও মূল্য ছিল না।’ লেখাটি শেয়ার করে দেব লিখে দিয়েছেন, ‘দুঃখিত, কিন্তু এটা আমাকে পোস্ট করতেই হত।’ দেবের এই ট্যুইটে সহমত পোষণ করেছেন বহু মানুষ।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!