Mithijhora 5 September Full Episode Update: জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো মিঠিঝোরা (Mithijhora)। এই ধারাবাহিকে দেখা যায় যে রাই কে অনির্বাণের কথা শুনে তার মা এবং দাদা ভুল বোঝে। এরপর সত্যিটা যাচাই করতে তার মা হাসপাতাল অবধি ছুটে যায় এবং ডাক্তারের মুখ থেকে যখন শুনতে পায় যে মেয়ের ক্যান্সার হয়েছে তখন তিনি ভেঙে পড়েন।
মিঠিঝোরা ৫ সেপ্টেম্বর পর্ব/ Mithijhora 5 September Full Episode Update
মিঠিঝোরা ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায় (Mithijhora 5 September Full Episode Update), ডাক্তারবাবু অপারেশন থিয়েটারে রাইকে নানা ভাবে কথা বলাতে থাকে যাতে তার মনের মধ্যে থাকা ভয়টা কেটে যায়। ডাক্তারবাবু রাইকে বলে, আপনার নাম রাইপূর্ণা, এরকম নাম আমি আগে কখনও শুনিনি। নামটা বেশ ইউনিক আমি রাইকিশোরী শুনেছি কিন্তু রাইপূর্না এই প্রথম শুনলাম। কে রেখেছে নামটা আপনার বাবা? রাই তখন বলে, হ্যাঁ, বাবা রেখেছে এই নাম।
এরপর রাই তাদের তিন বোনের নাম এক এক করে বলে যায়। অন্যদিকে, অনির্বাণ রাই তাকে ঠকিয়েছে এই কথা ভেবে মদ খেতে শুরু করে। সোহিনী তখন সেখানে এসে বলে, তুমি বরং এক কাজ কর তুমি কোয়েলকে ফোন করো। কোয়েল আমাকে ফোন করেছিল কোয়েল কিন্তু এখনও তোমার কথা ভাবে। কোয়েল কিন্তু রাইয়ের মতো নয়, তোমাদের মধ্যে পোষায় নি, তাই তোমরা আলাদা হয়ে গেছো। কিন্তু ও কিন্তু তোমাকে ঠকায় নি।
অন্যদিকে নন্দিতা দেবী ভেতরে ভেতরে ভীষণ কষ্ট পেতে থাকে এটা ভেবে যে, সে অনির্বাণের কথা বিশ্বাস করে এখানে এসেছিল এবং এখানে এসে দেখে তার মেয়ের ক্যান্সার হয়েছে! স্রোত নন্দিতা দেবীকে কথা শুনিয়ে বলে যে, অনিদা একটা মানসিক রোগী, তুমি এরকম একজন মানসিক রোগীর কথা বিশ্বাস করলে কী করে? আমরা তোমাকে বলিনি বলেই তুমি এরকম একটা ভুল ধারণা করে বসলে! মিষ্টিও তার শাশুড়িকে বলে, মা রাই তো আপনার মেয়ে আর কেউ না চিনলেও আপনার ওকে বারবার করে ভুল বোঝাটা ভীষণ কষ্টের রাইয়ের কাছে।
নন্দিতা দেবী তখন স্বীকার করে যে তিনি ভুল করেছেন। কিন্তু একই সাথে তিনি চান, তার ভুলের মাশুল যেন তার মেয়েকে ভোগ করতে না হয়। অন্যদিকে, রাই কোথায় থাকতে পারে এই বিষয়ে যখন অনি ভাবতে থাকে, তখন সোহিনী বলে দেখো তার বোন ডাক্তার বোনের সাথে হয়তো ওই পাপ ধোয়াতে গেছে। অনির্বাণ তখন আরও ভেঙে পড়ে। এরমধ্যে শৌর্য্য স্রোতের সাথে কথা বলতে থাকে আর জিজ্ঞেস করে স্রোত রাইয়ের আর কতক্ষণ লাগবে বলতো?
স্রোত বলে, ক্রিটিক্যাল অপারেশন তো একটু সময় লাগবে, চিন্তা আমারও হচ্ছে। কিন্তু ধৈর্য্য ধরা ছাড়া কিছু করার নেই। শৌর্য্য বলে, জানো রাইয়ের বিয়ের কথা শুনে আমি খুব খুশি হয়েছিলাম এটা ভেবে যে রাই শেষমেশ একজনকে নিজের জীবনে বেছে নিয়েছে কিন্তু এখন আমার ভাবতেই লজ্জা লাগে যে অনিদা আমাদের আত্মীয় হয়। স্রোতও বলে, দিদিভাই যে কি দেখে ওর প্রেমে পড়ল জানি না, তবে ভুল আমিও করেছি! দিদি ভাইয়ের সাথে ওর বিয়েটা না দিলেই ভালো হতো!
স্রোত তখন বলে, তুমি মেজদিভাইকে কিছু বলবে না, আমরা চাই না মেজদিভাই জানুক। এর মধ্যে সার্থক এসে নন্দিতা আর বৌমণিকে চা দেয়। মিষ্টি আলাপ করিয়ে দেয়, সার্থকের সাথে তার মায়ের! এদিকে অনির্বাণের কাছে খবর যাবে রাই হাসপাতালে আছে!ওর অপারেশন হচ্ছে! কিন্তু অনির্বাণ ভাবছে রাই হয়ত নিজের বাচ্চাটাকে নষ্ট করতে গেছে।






