Narendra Modi attacked Mamata Banerjee at Rajya Sabha: রাজ্যে মহিলা নির্যাতন নিয়ে বারবার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি চোপড়ায় মহিলাকে পাশবিক নির্যাতনের ঘটনায় গোটা দেশ সরব হয়েছে। কিন্তু এত কিছুর পরও এই ঘটনায় মুখ খুলতে শোনা যায়নি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এবার এই নিয়ে মমতার নাম না করেই তাঁকে একহাত নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi attacked Mamata Banerjee at Rajya Sabha)।
আজ, বুধবার রাজ্যসভায় ছিল প্রধানমন্ত্রীর জবাবি ভাষণ। এদিন বাংলার নারী নির্যাতন নিয়ে কথা বলেন তিনি। মোদী বলেন, “সরকার বিরোধী রাজনীতির একটি বিষয় আমার খুব খারাপ লাগে। বিশেষত এই রাজনীতি দেশের মহিলাদের কাছে খুবই অপমানজনক। আমি বাংলার একটি ভিডিও দেখছিলাম। কীভাবে এক মহিলা সাহায্যের জন্য চিৎকার করে যাচ্ছেন। আর কেউ তাঁকে বাঁচানোর জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন না। সন্দেশখালিতে কী ঘটেছে আজ দেশবাসী জানেন। কিন্তু, এতকিছু দেখেও নারী প্রগতিবাদী নেত্রী মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছেন কেন” (Narendra Modi attacked Mamata Banerjee at Rajya Sabha)?
শুধু মমতাই নন, এদিন রাহুল গান্ধীকেও আক্রমণ শানান তিনি। বলেন, “ওরা কী নিয়ে খুশি তা বুঝতে পারছি না। ওরা একশো পেরতে পারেনি বলে, নাকি পরপর তিনবার হেরেছে বলে! কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের নাম করেই বলেন, উনি দীর্ঘদিন ধরে দলের সেবা করেছেন। তাই যে ধাক্কা অন্য লোকের খাওয়ার কথা ছিল, উনি দেওয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে তাঁকে অর্থাৎ রাহুল গান্ধীকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন”।
এদিন সংবিধানের সঙ্গে জরুরি অবস্থার প্রসঙ্গ টানেন মোদী। সেই প্রসঙ্গেই কংগ্রেসকে শানাতে গিয়ে তিনি বলেন, “ওদের জোটের অনেক দলই ইন্দিরা গান্ধীর জরুরি অবস্থার শিকার হয়েছিল। তখনও তো নির্বাচন হয়েছিল। কীভাবে ভোট হয়েছিল, তা এখনও অনেকেই জানেন। তখন এমন দিন এসেছিল, যখন কেউ ঘর থেকে বেরিয়ে আর কোনওদিন ফেরেননি। তাঁর খোঁজই পাওয়া যায়নি। কংগ্রেসের সঙ্গে এদের অনেকেই এখন আছেন”।
এদিন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের মাঝে বিরোধীদের বক্তব্য রাখার অনুমতি দেন নি রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড়। এর ফলে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের নেতৃত্বে বিরোধী সাংসদরা একযোগে রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট করেন।
বিরোধীদের এই আচরণে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “আমি অবাক হয়ে যাই যে কিছু মানুষ যারা সংবিধান দিবসের বিরোধিতা করেছিল, তারাই সংসদে সংবিধান হাতে নিয়ে সুর চড়াচ্ছে। আমাদের সংবিধান লাইট হাউসের মতো কাজ করে, আমাদের দিশা দেখায়। এর শব্দও আমাদের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান”।





