সম্প্রতি ভারত সীমান্তে আগ্রাসন চালাল চীন। আবার এর মধ্যেই চীনের নজর পড়েছে নেপাল সীমান্তেও। এগুলো ভারতের ওপর চাপ তৈরি করার নতুন কৌশল? নাকি গোটা পৃথিবী যখন করোনা মোকাবিলায় ব্যস্ত, তখন নিজেদের সীমানা বৃদ্ধির চেষ্টা? নেপালের ৩৩ হেক্টর জমি চীনের দখলে, এই খবর আসার পর থেকে এই প্রশ্নগুলোই উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে।
নেপালের কৃষি মন্ত্রকের তরফে প্রকাশিত ১১ টি স্থানের তালিকায় দেখা গেছে, নেপালের প্রায় ৩৩ হেক্টর জমিই চীন নিজের দখলে নিয়েছে এবং ভবিষ্যতে সেখানে আউটপোস্ট তৈরির পরিকল্পনাও করছে। এর ফলে স্বাভাবিক সীমানা হিসাবে বয়ে চলা নদীর গতিপথও বদলে গেছে।
এর মধ্যে ১০ হেক্টর জমি দখল করা হয়েছে হুমলা জেলায়, যেখানে চীনা নির্মাণের ফলে বাগদারে খোলা নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হয়েছে। এছাড়া রাসুয়া জেলাতেও একাধিক নদীর গতিপথ পাল্টে দিয়ে চীন ৬ হেক্টর জমির দখল নিয়েছে। সিন্ধুপালচক জেলার ১১ হেক্টর জমি খারানে খোলা ও ভোতেকোশি নদী স্বাভাবিক গতিপথ মেনেই তিব্বতের মধ্যে পড়ছে, এই দাবিতে সেই স্থানও দখল করেছে চীন।
এই সব কারণেই নেপালের কৃষি মন্ত্রকের পক্ষ থেকে সরকারকে সতর্ক করে জানানো হয়েছে, চীনের আগ্রাসনের ফলে নেপালের আরও জমি তাদের দখলে যেতে পারে। যদিও নেপাল সরকার কি ভাবছে তা এখনও স্পষ্ট বোঝা যায় নি। সম্প্রতি নেপাল সরকারের পক্ষ থেকে চীন সরকারে নেতৃত্বে একটি ভার্চুয়াল ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হয়। যে ওয়ার্কশপের মূল বিষয়ই ছিল, কীভাবে প্রশাসন আরও সুন্দরভাবে নিয়ম মেনে চালানো যায়। ফলে রাজনৈতিক মহলের দাবি, এর মাধ্যমেই নেপাল প্রশাসনের বিষয়ে নাক গলানো শুরু করেছে শি জিনপিং । তারপর চীন জমি দখল করলেও নেপালের আর কী করার?





