শুক্রবার চীন এবং পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিতীয় বার্ষিক কৌশলগত আলোচনায় চীনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই ও পাক বিদেশমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি কাশ্মীর প্রসঙ্গ তোলেন এবং তাতে চীন পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর বা সিপিইসি-ও নিয়ে নিজেদের মতামত প্রকাশ করেন। কিন্ত সিপিইসি প্রসঙ্গে তাদের যৌথ বিবৃতিকে খারিজ করে দিল দিল্লি। দিল্লির তরফে জানানো হয়েছে, কেন্দ্রশাসিত জম্মু কাশ্মীর ভারতের অংশ তাই অন্য কেউ এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করলে তা বরদাস্ত করবে না ভারত।
পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ওপর দিয়ে যাওয়া ৬০ বিলিয়ন ডলারের সিপিইসি প্রকল্প বিষয়ে বিদেশ মন্ত্রকের তরফে অনুরাগ শ্রীবাস্তব বলেছেন, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে কোনো উত্তেজনা সৃষ্টি করার চেষ্টা করলে তা মানবে না ভারত। তাই তাদের এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকতে বলা হচ্ছে।
অন্যদিকে শুক্রবার চীন ও পাকিস্তানের মধ্যে বৈঠকে কাশ্মীর বিষয়ে চীন বলে, সেই ঐতিহাসিক আমল থেকেই ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীর নিয়ে একটি বিতর্ক চলছে। শান্তিপূর্ণভাবে রাষ্ট্রপুঞ্জের চার্টার, নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব এবং দ্বিপাক্ষিক চুক্তিমত মেনে তা এবার মিটিয়ে নেওয়া উচিত। পরিস্থিতি আরও জটিল হলে কিন্তু চীনও পদক্ষেপ নেবে। আসলে এই প্রজেক্ট পাকিস্তানের বালুচিস্তানের গদর বন্দরের সঙ্গে চীনের জিংজিয়াং প্রদেশকে যুক্ত করবে। আর এই প্রজেক্টে চীন কোটি কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে। তাই এই বিষয়ে প্রবল আগ্রহী চীন। অন্যদিকে ভারতের বক্তব্য, পাকিস্তান আইন না মেনে ভারতীয় ভূখণ্ডের ওপর দিয়ে এই প্রকল্প নিয়ে এগোচ্ছে। তাই ভারত এই প্রকল্পের বিরোধিতা করে।





