ফের যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে আগ্নেয়াস্ত্র নিক্ষেপ করল পাকিস্তান। এই নিয়ে গত ১০ই জুন পর্যন্ত এই বছরে ২,০২৭ বার যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে জম্মু ও কাশ্মীরের বিভিন্ন সেক্টরে গুলি চালিয়েছে পাক সেনা। গত বছরে সেই সংখ্যাটা ছিল ৩,১৬৮।
এবার জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরি জেলায় মর্টার ছুঁড়ল পাকিস্তান। সাথে চলল গুলিও। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে এক ভারতীয় জওয়ানের। তিনি নায়েব সুবেদার পদে কর্মরত ছিলেন। চলতি মাসের ৪ তারিখ থেকে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর পাক সেনার সাথে গুলির লড়াইয়ে এখনো অবধি চারজন সেনা জওয়ান শহীদ হয়েছেন।
এক প্রতিরক্ষা মুখপাত্রের বক্তব্য, রাজৌরি জেলার নৌসেরা সেক্টরে ভোর সাড়ে পাঁচটার সময় গুলিবর্ষণ শুরু করে পাকিস্তানী সেনা। নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর কৃষ্ণঘাটি সেক্টরে আচমকাই ছোটো আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলিবর্ষণ শুরু করে। তারপর মর্টার শেল ছোড়া শুরু করে পাকিস্তান। হামলার প্রত্যুত্তরে পাল্টা জবাব দেয় ভারতীয় সেনাও।’ তবে তারও আগে পুঞ্চ জেলার কৃষ্ণঘাটি সেক্টরে রাত সাড়ে তিনটের সময় যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে হামলা চালায় পাক সেনা।
সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, এই দুটি ঘাঁটি ছাড়াও সীমান্ত বরাবর কাঠুয়া জেলার হিরানগর সেক্টরের কারোল মাতরাই এলাকায় ভারতীয় সেনাছাউনিকে নিশানা করে গুলি চালায় পাকিস্তানী সৈন্যবাহিনী। গতকাল রাত একটা থেকে সেখানে গুলিবর্ষণ শুরু হয় বলে জানিয়েছেন এক আধিকারিক।
প্রসঙ্গত, গত ৪ঠা জুন রাজৌরি জেলার সুন্দরবনি সেক্টরে পাক সেনার গুলিতে মারা যান হাবিলদার পি মাথিয়াজাগঙ। তার এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই রাজৌরি জেলার তারকুন্দি সেক্টরে একইভাবে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান নায়েক গুরুচরণ সিং।





