পেগাসাস হ্যাক কেলেঙ্কারি কী তবে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশানালের তৈরি একটি ইঙ্গিতবাহক তালিকা থেকেই ছড়িয়ে পড়ে? আসলে এই হ্যাক জাতীয় কোনও ঘটনাই ঘটেনি? এই বিষয়ে সন্দেহ দূর করলেন সরকারি উপদেস্টা কাঞ্চন গুপ্ত।
তাঁর দাবী, অ্যামনেস্টি সম্ভাব্য লক্ষ্যসমূহের একটি তালিকা তৈরি করে। এই ঘটনাই সংবাদমাধ্যম লোভনীয় কাহিনী হিসেবে ছড়িয়ে দেয়।
আরও পড়ুন- আগামী ৩০শে জুলাই মুখোমুখি মুকুল-শুভেন্দু, বৈঠকে বসছেন দুই যুযুধান নেতা
টেকনোলোজি নিউজের কিম জেটার-এর একটি উদ্ধৃতি দিয়ে কাঞ্চন গুপ্ত বলেন, “অ্যামনেস্টি স্বীকার করেছে এবং স্পষ্ট জানিয়েছে, যে এটি আরও বড় দুরাচরণের ঘটনা ঘটাতে পারে এবং একটি নতুন ব্যবসায়িক মডেল তৈরি হচ্ছে, যা বোঝাতে এই ‘তালিকা’টিকে তার ঝুলি থেকে বের করা হয়েছে। ‘পেগাসাস কাহিনি’টি সতর্কতার জন্য, কিন্তু এর মানে এই নয়, দুরাচারীরা এরকম কিছু ভাবছে না”।
অন্যদিকে কিম জেটার ক্যাল্কোলিস্ট নামের একটি ইসরায়েলি ওয়েবসাইট উদ্ধৃত করে বলেন, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশানালের তরফে জানানো হয়েছে, যে তালিকাটি প্রকাশ হয়েছে, তা একেবারেই এনএসও-র পেগাসাস স্পাইওয়্যার তালিকা নয়। বিশ্বের কিছু মিডিয়া এটা রটাচ্ছে। অ্যামনেস্টি ও তাদের সঙ্গে কাজ করা নানান মিডিয়া প্রথম থেকেই দাবী করে এসেছে যে এই তালিকা হল তাদের আগ্রহের ফোন নম্বরের তালিকা যারা এনএসও-র গ্রাহক।
কিম জেটরের মতে, অ্যামনেস্টি মূলত বলতে চেয়েছে যে, এই তালিকায় যাদের ফোন নম্বর রয়েছে, এনএসওর গ্রাহকরা সাধারণত এদের ফোনে আড়ি পাততে আগ্রহী হবেন। কাদের ফোনে চরবৃত্তি করা হয়েছে এটি সেই তালিকা নয়।
তিনি আরও জানান, অ্যামনেস্টির তরফে প্রথম থেকেই খুব স্পষ্ট করে বলা হয়েছিল, যে এই তালিকাটি এনএসও চরবৃত্তির লক্ষ্যবস্তুদের তালিকা একেবারেই নয়।





