আজ সাতসকালে আচমকা লেহ সফরে গিয়ে মাস্টার স্ট্রোক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যদিও সেই মাস্টারস্ট্রোকে রীতিমত মর্মাহত হয়েছে চীন। তাই রেগেমেগে তারা জানাল মোদী সফরের ফলে সীমান্তে উত্তেজনা বাড়তে পারে! এই কাজ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোটেই ঠিক করেননি।
চীনের বিদেশ মন্ত্রকের দৈনন্দিন সাংবাদিক বৈঠকে স্বভাবতই মোদীর লেহ সফরের প্রসঙ্গ ওঠে। সেখানে চীনা বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বলেন, “সামরিক এবং কূটনৈতিক স্তরে উত্তাপ কমানোর আলোচনা এবং রফাসূত্রের প্রক্রিয়ায় আছে ভারত এবং চীন। কোনও পক্ষের কোনও পদক্ষেপে না জড়ানো উচিত, যা এই মুহূর্তে উত্তেজনা বৃদ্ধি করতে পারে।”
স্বাভাবিকভাবেই এখানে বোঝা যাচ্ছে যে চীন কোন পক্ষ বলতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেই উল্লেখ করছে। এই কমিউনিস্ট দেশের সরকার বুঝতেই পারেনি যে মোদী আচমকা সোজা লেহতে চলে যাবেন পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে। আগে থেকে কোনওরকম খবরও তারা পায়নি। বস্তুত মোদীর এই সফরের কথা নয়াদিল্লিরও অনেকেই জানতেন না। কেন্দ্রের কয়েকজন শীর্ষ কর্তা শুধুমাত্র মোদীর লেহ সফরের বিষয়ে জানতেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াতের সঙ্গে বৈঠকে মোদীর সফর নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেইমতো শুক্রবার সাতসকালে লেহ পৌঁছন।
কূটনৈতিক মহল মনে করছে যে লাদাখ এলাকায় প্রধানমন্ত্রী নিজে গিয়ে চীনকে স্পষ্ট বার্তা দিলেন যে ভারতের এক ইঞ্চি জমি কোনওভাবেই চীনের হাতে ছাড়া হবে না। তাঁর এই সফর ভারতের সেনাবাহিনীর মনোবল অনেকটাই বৃদ্ধি করবে এবং স্থানীয় প্রশাসন এই সফরের ফলে অনেকটা নিশ্চিন্ত হবে। এরপরে ভারতীয় সেনা যে নতুন উদ্যমে চীনের আগ্রাসন রুখে দেবে এই ব্যাপারটাই এখনও মেনে নিতে পারছেনা লালফৌজের দেশ।





