স্বামীকে না পেয়ে সদ্য সন্তানের জন্ম দেওয়া স্ত্রীর পেটে লাথি ‘অমানুষ’ তৃণমূল নেতার। চেষ্টা শিশু হত্যার‌ও!

ঘাসফুল শিবিরের নেতাদের ঘটানো একের পর এক কর্মকান্ডে অস্বস্তিতেই থাকা উচিত পশ্চিমবঙ্গের শাসক দলের। ধর্ষণ থেকে শুরু করে শিশু হত্যা। সবকিছুতেই সিদ্ধহস্ত তাঁরা। এবার ঘরের জানলা ভেঙে ঢুকে স্বামীকে না পেয়ে সদ্য মা হ‌ওয়া স্ত্রীর পেটে লাথি মনুষ্যত্বহীন তৃণমূল নেতার। উঠল ওই সদ্যজাতকে খুনের চেষ্টা করার মতো অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলার। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার নাম বাপি মণ্ডল। সন্তানকে নিয়ে কোনওক্রমে পালিয়ে বাঁচেন মধুমিতা হালদার নামে ওই গৃহবধূ। তাঁর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে জীবনতলা থানার পুলিশ।

অভিযোগ, সোমবার রাতে জীবনতলার রবীন্দ্রনগর গ্রামের বাসিন্দা মধুমিতা হালদারের ঘরে জানলা ভেঙে ঢোকে কয়েকজন দুষ্কৃতী। মধুমিতাদেবীর স্বামীকে খুঁজছিল তারা। কিন্তু তাঁকে না পেয়ে মধুমিতাদেবীর পেটে লাথি মারে বাপি মণ্ডল নামে এক তৃণমূলকর্মী। এমনকী তাঁর সদ্যোজাতকে খুনের চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ।

মাত্র তিনমাস আগে মা হয়েছেন ওই গৃহবধূ। সিজার করে প্রসব হয় তাঁর। সেখানেই দুষ্কৃতী লাথি মারলে যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকেন তিনি। তার মধ্যেই সন্তানকে বাঁচাতে তাকে কোলে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে ছুটতে থাকেন। ছুটতে ছুটতে ঘুটিয়ারি শরিফ ফাঁড়িতে পৌঁছন তিনি। সেখানে বাপি মণ্ডলসহ অন্য দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।

মধুমিতাদেবীর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। খোঁজ চলছে দুষ্কৃতীদের। সঙ্গে তাঁর স্বামীকে কেন‌ও খুনের জন্য খোঁজা হয়েছিল তাও জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

RELATED Articles

Leave a Comment