তিনি আমাদের জাতির জনক। অহিংসা শব্দটি মাথায় আসলেই আমাদের মনে আসে তাঁর কথা। তিনি মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী অর্থাৎ আমাদের বাপু মহাত্মা গান্ধী। জীবদ্দশায় এবং মরণোত্তর বিশ্বজোড়া অনেক সম্মান পেয়েছেন মহাত্মা গান্ধী। এবার তিনি পেতে চলেছেন আরেকটি অভিনব সম্মান ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনকের উদ্যোগে ব্রিটেনের কয়েনে খোদাই করা হবে মহাত্মা গান্ধীর ছবি।
সাম্প্রদায়িক হিংসা রুখতে মহাত্মা গান্ধীর অবদানের কথা আমরা সকলেই জানি। বাংলাদেশের নোয়াখালীতে তাঁর শেখানো রঘুপতি গানটা আজ অনেকে মুখস্থ গাইতে পারেন। এছাড়াও বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই এর অন্যতম প্রধান মুখ ছিলেন তিনি।জীবনের অধিকাংশ সময় জপ করে গিয়েছেন শান্তির কথা। তাঁর জন্মদিন ২ অক্টোবর পালিত হয় আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস।
ঋষি সুনক রয়্যাল মিন্ট অ্যাডভাইসারি কমিটিকে এ বিষয়ে জানিয়েছেন। রয়্যাল মিন্ট অ্যাডভাইসারি কমিটিও এ বিষয় বিবেচনা করে দেখছে।
সম্প্রতি মিনিয়াপোলিস কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের শ্বেতাঙ্গ পুলিশ কর্মী দ্বারা শ্বাসরোধ করে হত্যার ঘটনায় উত্তাল হয়েছিল গোটা বিশ্ব। কৃষ্ণাঙ্গ মানুষদের অধিকারের দাবিতে সকলে একসঙ্গে বলে উঠেছিল, “আই এম জর্জ ফ্লয়েড।”
এরপরই ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠানগুলির বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে নতুন করে অনুসন্ধান শুরু করে। সেখানে উঠে আসে মহাত্মা গান্ধীর কথা। ব্ল্যাক এশিয়ান অ্যান্ড মাইনোরিটি এথনিক কমিউনিটির নামে একটি সংস্থা আছে যারা কৃষ্ণাঙ্গ এশিয়ান এবং সংখ্যালঘুদের অধিকারের বিষয়ে লড়াই করে। ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রী রয়্যাল মিন্টকে যে চিঠি দিয়েছেন তাতে তিনি এই সংস্থার কথা উল্লেখ করেছেন। রয়্যাল মিন্টের কাছে এর স্বীকৃতির আবেদনও করেছেন তিনি। এবার এই সংস্থাই ঠিক করবে কয়েনের নকশা ও থিম। জগত সভায় মহাত্মা গান্ধী আরেকবার প্রতিষ্ঠিত হতে চলেছেন নতুন করে।





