চালক না থাকায় একের পর এক ট্রেন বাতিল উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে-তে।

নেই চালক, শূন্য রয়েছে শতাধিক চালকের পদ, এমতাবস্থায় সমস্ত ট্রেন চালাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের কর্তারা৷ যার দরুন কিছুদিন পর পরই বাতিল করতে হচ্ছে একাধিক ট্রেন।

সূত্রের খবর, উত্তপ – পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের জন্য যতোজন চালক দরকার। ততোজন চালকই নেই, ফলস্বরূপ সমস্ত ট্রেন সময়মতো চালাতে সমস্যায় পরেছে রেল কর্তৃপক্ষ। চালকের অভাবে অনেক স্টেশনে দাড়িয়ে রয়েছে একাধিক মালগাড়ি। তবে শুধু মালগাড়ি-ই নয়, বাতিল হচ্ছে একের পর এক যাত্রীবাহী ট্রেনও।

 

গত ৩০ এপ্রিল থেকে বন্ধ হয়ে রয়েছে শিলিগুড়ি জংশন – দিনহাটা ডিএমউ ট্রেনটি। সূত্রের খবর যে চালকের অভাবেই বন্ধ করা হয়েছে ট্রেনটিকে। এই ট্রেনটি ফের ১৩ মে চালু হলেও, অপরদিকে বন্ধ হয়ে যাবে শিলিগুড়ি জংশন – বালুরঘাট ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনটি। ৮ মে থেকে ১৫ মে পর্যন্ত এই ট্রেনটি বন্ধ থাকবে। লোকাল ট্রেনগুলো ছাড়াও বিভিন্ন দূরপাল্লার অনেক ট্রেনগুলিকেও বাতিল করেছে উত্তর – পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে৷ যেমন বাতিল রয়েছে উত্তর-বঙ্গ এক্সপ্রেস, হলদিবাড়ি সুপার ফাস্ট এক্সপ্রেস, মহানন্দা এক্সপ্রেস সহ আরও বেশ কয়েকটি ট্রেন। এছাড়াও কাঞ্চনজঙ্ঘা সহ আরও কয়েকটি ট্রেনের যাত্রা পথ সংক্ষিপ্ত কিংবা যাত্রা দিন কম করা হয়েছে৷

Pubg Mobile Trigger

এইভাবে একের পর এক ট্রেন বাতিল হওয়ায় এবং যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত হওয়ার দরুন ভোগান্তিতে পরেছেন রেলের নিত্য যাত্রীরা। যদিও রেল কর্তৃপক্ষের দাবী যে লাইনের রক্ষণা-বেক্ষন এবং ইলেকট্রিফিকেশনের কাজ চলায় ট্রেন বাতিল রয়েছে। তবে আলিপুরদুয়ার ডিভিশন থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে প্রয়োজনের তুলনায় রেলের চালক সংখ্যা কম থাকাতেই এই বিপত্তি। এছাড়াও এখন ভোটের দরুন অনেক চালক ছুটিতে রয়েছেন, অনেকে আবার নাকী ব্যস্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর অতিরিক্ত ট্রেন চালাতে। তাই বাধ্য হয়ে বাতিল রাখতে হচ্ছে বিভিন্ন প্যাসেঞ্জার ট্রেনগুলিকে। তবে উত্তপ – পূর্ব সীমান্ত রেল কর্তৃপক্ষের তরফে আশ্বাস মিলেছে যে দীর্ঘই এই সমস্যার সমাধান ঘটিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হবে।

RELATED Articles

Leave a Comment