এবার কাশ্মীর থেকে ১০০ কোম্পানি আধাসেনা সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। যার ফলে উপত্যকা থেকে প্রায় ১০ হাজার আধাসেনাকে অন্য জায়গায় মোতায়েন করা হবে।
গত বছর এই সময় ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করে নেওয়ায় জম্মু কাশ্মীর রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল। তাই তারপর থেকে নিরাপত্তার চাঁদোয়ায় মুড়ে ফেলা হয় ভূস্বর্গকে। বিপুল সংখ্যক আধাসেনা মোতায়েন করা হয় কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায়। তবে একবছরে সেখানকার পরিস্থিতি অনেকটাই শান্ত হয়েছে। জঙ্গিদেরও অনেকাংশে নিকেশ করা গেছে। তাই কেন্দ্রীয় সরকার বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে সেখান থেকে আধাসেনাদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
গত বছর নিরাপত্তার জন্য প্রায় ৬০০ কোম্পানি আধাসেনা মোতায়েন করেছিল কেন্দ্র। সরকারি তথ্য অনুসারে, কাশ্মীরে আগে উত্তপ্ত জনতা পাথর ছুঁড়ত, পুলিশের এবং নিরাপত্তারক্ষীদের কাজে বাঁধা দিত এবং ব্যাপক পরিমান জঙ্গি হানাও চলত। ২০১৮ সালে ৫৩২টি ঘটনা এবং ২০১৯ সালে ৩৮৯টি এমন পাথর ছোঁড়ার ঘটনা সামনে এসেছে। তবে এই বছরে এখনো অবধি ১০২টি ঘটনা হয়েছে। অফিসাররা জানিয়েছেন, সন্ত্রাসদমনের কাজেও এখন স্থানীয়রা ব্যাঘাত ঘটায় না।
তাই এবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে কাশ্মীর থেকে ৪০ কোম্পানি সিআরপিএফ, ২০ কোম্পানি করে বিএসএফ, সিআইএসএফ ও এসএসবি-র জওয়ানদের নিজেদের নির্দিষ্ট স্থানে ফিরে যেতা বলা হয়েছে।
তবে এখনো সম্পূর্ণ সেনা সেখান থেকে সরানো হয়নি। কাশ্মীরে এখনও সুরক্ষার স্বার্থে মোতায়েন থাকল সিআরপিএফের ৬৭টি ব্যাটেলিয়ন। এছাড়া জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ ও সেনাবাহিনীও থাকছে উপত্যকার নিরাপত্তায়।





