করোনা রুখতে দেশজুড়ে চলছে লকডাউন ৪.০। যার মেয়াদ আগামী ৩১শে মে শেষ হচ্ছে। তবে দেশে এখনও সংক্রমনের হার ঊর্ধমুখী। এরপর আবার পঞ্চম দফার লকডাউন হবে কিনা তার সিদ্ধান্ত নিতে এবং বিধিনিষেধ সম্বন্ধে কথাবার্তা বলতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
জানা গেছে, অনেক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীই লকডাউন বাড়ানোর স্বপক্ষে রয়েছেন। তবে তারা এও বলেছেন, লকডাউন বাড়ানো হলেও দেশের অর্থনীতিকে স্বচ্ছল করতে আরও ছাড় দেওয়া হোক বিভিন্ন কাজকর্মের ক্ষেত্রে। সবার পরামর্শ লিখে নেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সবার মতামতের ওপর ভিত্তি করেই আজ বা কালের মধ্যে লকডাউন নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবেন।
দুই রাজ্যের আধিকারকরা জানিয়েছেন যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এদিন বৈঠকে দেশের হালহকিকত নিয়ে সবাইকে প্রশ্ন করেন। তিনি জানতে চান, লকডাউনে কী কী কাজকর্ম সচল রয়েছে, পরিযায়ীরা কী অবস্থায় আছে, কতজন এমন আছেন যারা অন্য রাজ্যে থেকে ফিরতে চাইছেন। প্রায় ৫-৬ মিনিট ধরে ফোনে এই কথা বলেন তিনি।
আগেরবার লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু শোনা যাচ্ছে এবার হয়তো মোদী আর কথা বলবেন না। এই প্রথমবার অমিত শাহ সব মুখ্যমন্ত্রীদের সাথে ফোনে কথা বলেন এবং অধিকাংশ মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের সুরক্ষার কথা ভেবেই ধাপে ধাপে লকডাউন ওঠানোতে পরামর্শ দেন।
লকডাউনের চতু্র্থ দফায় যেমন রাজ্যের ওপরই দায়িত্ব ছিল রূপরেখা তৈরি করার, এবারও সেই পদ্ধতি নিতে চলেছে কেন্দ্র। অল্প কিছু গাইডলাইনস থাকবে কেন্দ্রের তরফে, বাকিটা রাজ্যকেই ঠিক করে নিতে হবে। চলতি লকডাউনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় অনুষ্ঠান, রাজনৈতিক কার্যকলাপ, আন্তর্জাতিক বিমান সহ খুব অল্প কিছু জিনিসই লকডাউনের মধ্যে আছে। পরবর্তীতে তার কতটা থাকবে এবং কতটা লকডাউনের বাইরে যাবে সেটাই এখন দেখার বিষয়।





