প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার থেকে লকডাউন ঘোষণা করার পর অনেকগুলি অনলাইন সংস্থা তাদের হোম ডেলিভারী সার্ভিস বন্ধ করেছে। এর ফলে যথেষ্ট ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। করোনা আতঙ্কে গ্রোফার্স ও বিগ বাস্কেট এর মতো সংস্থা তাদের কাজ বন্ধ করলে। এরপর ফ্লিপকার্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিয়েছেন, আগামী ২১ দিন কোন ধরনের ডেলিভারি হবে না। এমনকি সমস্ত ডেলিভারি এক্সিকিউটিভ সহ অন্যান্য কর্মীদেরকেও আপাতত বাড়িতে থাকারই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মাছ থেকে শাক সবজি নানান অত্যাবশ্যক জিনিস বাড়ির দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয় গ্রোফার্স এবং বিগ বাস্কেট। করোনা আতঙ্কের মধ্যেই এভাবে অনলাইন সংস্থাগুলি তাদের ডেলিভারি বন্ধ করে দেওয়ার ফলে ভোগান্তিতে পড়ছেন অসংখ্য মানুষ।
মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী ভাষণে আগামী ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছেন। আর এরপর থেকেই ঘরবন্দি রয়েছেন সাধারণ মানুষ। সেই ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এটাও বলেছিলেন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস সরবরাহের জন্য ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলোকে লকডাউনের আওতার বাইরে রাখা হচ্ছে। এমনকি বাড়িতে সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার কাজ যারা করবেন তাদের জন্য বিশেষ ছাড়ও দেওয়া হবে।
শুধু প্রধানমন্ত্রীই নয়, রাজ্যের তরফেও এই বিষয়ে ছাড় দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তা সত্যেও এভাবে বেশ কয়েকটি ই-কমার্স সংস্থা তাদের অনলাইন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। আর তাদের এইরকম আচরণে স্বভাবতই প্রশ্ন করছেন সাধারণ মানুষ।
হঠাৎ এই পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরে ভোগান্তির কথা জানিয়ে এক ক্রেতা বলেছেন, লক ডাউন ঘোষণা হওয়ার অনেক আগেই বিগ বাস্কেটে তিনি মুদিখানার সামগ্রীর অর্ডার দেওয়া দিয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করেই কোনো আগাম বার্তা ছাড়াই তাঁরা সমস্ত অর্ডার বাতিল করে দেয়। শুধু তাই নয় যাদের অর্ডারে আগে টাকা দেওয়া ছিল, তারা সেই টাকাও ফেরত পান নি বলে অভিযোগ জানান।
অন্যদিকে, এদিন সকালে সমস্ত ডেলিভারি বন্ধ করে দেয় ফ্লিপকার্টও। যা নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়। আর এই বিতর্কের জেরেই বিকেলের দিকে ফ্লিপকার্ট ফের তাঁদের হোম ডেলিভারি পরিষেবা চালু করেছেন বলে এক সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে। মূলত অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবার মধ্যে যেসব জিনিস পরে সেগুলো সাধারণ মানুষের ঘরে আগে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে তারা শির করেছে বলে জানা গেছে। যদিও গ্রোফার্স কিংবা বিগ বাস্কেটের তরফ থেকে এখনো কিছুই জানানো হয়নি।





