প্রথমে ফিকে লাগলেও ধীরে ধীরে রঙিন হয়ে উঠছে বিহার ভোট (Bihar election)। প্রতিটা দিন নতুন চমক। এবার বিহার ভোটে একগুচ্ছ তরুণ নতুন মুখের ভিড়। কে হতে চলেছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী? জানা সম্ভব নয়। কারণ বিহারের জনতা নিজেদের মনোভাব সংবাদমাধ্যমের সামনে কখনই স্পষ্ট করেন না।
আগামী ১০ই নভেম্বরের দিকে তাকিয়ে সবাই। করোনা আবহেও মোটামুটি ভালই ভোটের প্রস্তুতি নিয়েছিল বিহারের সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলি। এতদিন পর্যন্ত বিহারের নির্বাচন ঠিক কতটা চমকপ্রদ হতে চলেছে তা সম্পূর্ণভাবে স্পষ্ট হয়নি রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের চোখে। তবে দিন যত এগোচ্ছে ততোই চমকপ্রদ হয়ে উঠছে বিহারের রাজনীতির সমীকরণ। বিহার নির্বাচনের তৃতীয় দফা ভোট গ্রহণের প্রচার কার্য ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে।
কংগ্রেস এবার বিহারে মহাজোট (Maha Gatbandhan) সরকার গঠন করেছে। আর এদিন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী (Rahul gandhi) বিহারের জনগণের উদ্দেশ্যে এক ট্যুইট করেন। নিজের করা ওই টুইটে জনগণের উদ্দেশ্যে তিনি লেখেন, এবার বিহারে ‘মহাজোট’ই সরকার গঠন করবে। তারপর এই সরকারের হাত ধরেই আপনারা পাবেন একটি নতুন বিহার।
জনতার কাছে ভোট চাইতে একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। নির্বাচনে নিজের ক্ষমতা কায়েম রাখতে কংগ্রেস সরকার যুবকদের কর্মসংস্থান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পাশাপাশি কৃষি আইন পরিবর্তনেরও প্রতিশ্রুতি দেন। বিহারে তৃতীয় দফা ভোট গ্রহণের শেষ পর্ব শুরু হবে কাল অর্থাৎ ৭ ই নভেম্বর। ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হলে আগামী ১০ ই নভেম্বর নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হবে।
এর আগেই প্রতিশ্রুতি দিয়ে রাহুল গান্ধী টুইট করেন, ‘জনগণ প্রস্তুত হও। এবার বিহারে মহাজোট সরকার যুবকদের কর্মসংস্থান দেবে, কৃষকদের ঋণ মুকুব করে দেবে, বিদ্যুতের বিল অর্ধেক করে দেবে, মেয়েদের নিখরচায় শিক্ষা দেওয়া এবং তাদের যে কোন মূল্যে ন্যায়বিচার পাইয়ে দেবে, পাশাপাশি সব শ্রেণীর বিভেদ মুছে দেবে। শিল্প ও বাণিজ্য স্থাপন করে এক নতুন বিহার তৈরি করা করব’।





