করোনা মোকাবিলায় চলছে দেশজোড়া লকডাউন। করোনা মোকাবিলায় তৈরি রাজ্যও। আর রাজ্যবাসীর সেই লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। রীতিমতো রাস্তায় নেমে আমজনতার পাশে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। করোনা মোকাবিলায় এক্কেবারে ফ্রন্টলাইনে দাঁড়িয়ে তিনি তদারকি করছেন লকডাউন থেকে কোয়ারেন্টাইন, চিকিৎসা সরঞ্জাম থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর। এবার তাঁর সেই ভূমিকা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করল কেন্দ্র সরকারও। জানিয়ে দিল, ‘করোনা রুখতে পশ্চিমবঙ্গের ভূমিকা সন্তোষজনক’। একইসঙ্গে বুলবুলের ক্ষয়ক্ষতি বাবদ রাজ্যের পুরোনো বকেয়া টাকাও পাঠাল কেন্দ্র সরকার।
প্রসঙ্গত, করোনা সংক্রমণ রুখতে দেশজুড়ে ২১ দিনের লকডাউন চলছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে খোঁজ খবর নিতে শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে তিনি একা নন, মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরও।
কেন্দ্রীয়সূত্রে খবর, করোনা মোকাবিলায় প্রত্যেক রাজ্যের দায়িত্ব রয়েছেন একজন করে ক্যাবিনেট মন্ত্রী। এ রাজ্যের দায়িত্বে রয়েছেন বিদেশমন্ত্রী জয়শংকর। জানা গিয়েছে, করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় দেশজুড়ে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, নিয়মিত তার রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে জমা দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। কোয়ারেন্টাইনে থাকা মানুষদের জন্য নেওয়া ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য পরিষেবা, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের জোগান ও সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিংয়ের জন্য কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তার সবিস্তার রিপোর্ট দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মন্ত্রীদের।
উল্লেখ্য, কেন্দ্রের কাছে বুলবুলের ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থসাহায্য চেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেই অর্থ আসছিল না কিছুতেই। অবশেষে বুলবুলের ক্ষতিপূরণ বাবদ ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফান্ড থেকে ১১০০ কোটি টাকা দিল কেন্দ্রীয় সরকার।





