CoronaVirus: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে ফোন মোদি, অমিত শাহ সহ দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের

শুক্রবার সকালে, চলতি আপৎকালীন পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহযোগিতা চেয়ে ফোন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তার পরেই ফোন আসে কেন্দ্রের তরফে করোনা সমন্বয়ে এ রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের। সব শেষে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজে ফোন করে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে লকডাউন নিয়ে আলোচনা করেন।

মোদী এ দিন করোনা মোকাবিলায় রাজ্যের উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন। সাথে মমতাকে জানান, দেশের অবস্থা এখনও যথেষ্ট গুরুতর। লকডাউন ও তা থেকে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করে ও সমন্বয় রেখে চলতে চায় কেন্দ্র। জানা গিয়েছে ভবিষ্যতে কেন্দ্রের গৃহীত পদক্ষেপ নিয়েও মুখ্যমন্ত্রীর সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী।

প্র‌ধানমন্ত্রীর পরেই মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর। এর আগে বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের সঙ্গে এক দফা কথা হয়েছিল তাঁর। এ দিন ফোনালাপের সময়ে মমতা তাঁকে আশ্বাস দেন, করোনা পরিস্থিতি সামলাতে কেন্দ্রের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতাই করবেন তিনি।

বিদেশমন্ত্রীর পরেই মমতাকে ফোন করেন অমিত শাহ। লকডাউন প্রসঙ্গে দু’জনের মধ্যে এক বিস্তারিত আলোচনা হয়। কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান, বিমানবন্দর, সেনা ছাউনির মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকা, সীমান্ত ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা হয়। কথা প্রসঙ্গে লকডাউন বাস্তবায়িত করতে প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক নিরাপত্তা দিতে যে রাজি, সে কথাও জানিয়ে রাখেন শাহ। এই কঠিন পরিস্থিতিতে কেন্দ্র-রাজ্য এক যোগে লড়ার কথা একে অপরকে বলেন বলে জানা গিয়েছে।

অন্যদিকে নবান্নসূত্রে খবর, মোদীর ফোন পেয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার কথা বলার ফাঁকে রাজ্যের জন্য বাজেট নিয়ন্ত্রণ আইনের নিয়ম শিথিল করার আবেদন জানান মমতা। রাজ্যের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন (এসজিডিপি)-র ৫% বাজার থেকে ঋণ নেওয়ার অনুমতি চেয়ে আর্জি জানান মুখ্যমন্ত্রী। এখন এসজিডিপি’র সর্বোচ্চ ৩% ঋণ নিতে পারে রাজ্য। নবান্নের দাবি পূরণ হলে চলতি আর্থিক বছরে প্রায় ৬৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়া যাবে। আর সেটা হলে রাজ্যের আর্থিক সঙ্কট কাটানো সহজ যাবে বলে প্রধানমন্ত্রীকে জানান মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর, মোদী কিছু আশ্বাস না-দিলেও বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে জানান।

এমতাবস্থায়, অনেকেই মনে করছেন কেন্দ্র হয়তো লকডাউনের সময়সীমা ১৪ এপ্রিলের পরেও আরও কিছু দিন বাড়াতে পারে। কারণ, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, ভারতে করোনার প্রকোপ মারাত্মক আকার নিতে পারে এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে। তাই বর্তমানে লকডাউনের চেয়ে কার্যকরী আর কিছু নেই।

Antara

I, Antara Banerjee, is a teen content writer who covers up the field of Sports, Politics and Social News.

আরও পড়ুন

RELATED Articles

Leave a Comment