করোনার আবহে দেশে হতে চলেছে বিহার বিধানসভা নির্বাচন। তবে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা না করলেও ভোটের আগে গাইডলাইন জারি করল নির্বাচন কমিশন। করোনা সংক্রামিতদের জন্য থাকছে পোস্টাল ব্যালটের সুবিধা। গ্লাভস পরে ভোট দিতে হবে। এছাড়া প্রার্থীরা অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। তবে ভোটের প্রচারের ক্ষেত্রে রয়েছে বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা।
চলতি বছরের অক্টোবরেই বিহারে বিধানসভা নির্বাচন হতে পারে। তাই ভোটের আগে করোনা আবহে একাধিক গাইডলাইন জারি করল কমিশন। ভোটের আগে এই গাইডলাইনে বলা হয়েছে যারা করোনা সংক্রামিত তাঁরাও ভোট দিতে পারবেন। যারা করোনা আক্রান্ত হয়ে বাড়ি বা সরকারি কোয়ারেন্টাইনে আছেন কিংবা যাদের উপসর্গ দেখা দিয়েছে তাঁরা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দান করতে পারবেন। ভোটার, প্রার্থী এবং রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি সবাইকে মাস্ক পড়তে হবে। তবে ভোট দেওয়ার সময় মাস্ক একটু সরাতে হবে যাতে ভোটপ্রদানকারীকে চিহ্নিত করা যায়। ভোট দেওয়ার সময় সবাইকে গ্লাভস দেওয়া হবে সেটা পরে সবাইকে ইভিএম এর বোতাম টিপতে হবে। ভোটের লাইনে ২ গজের দূরত্ব বিধি মেনে দাঁড়াতে হবে। প্রত্যেক বুথে ঢোকার মুখে থাকবে থার্মাল স্ক্যানার। বুথের প্রবেশ ও প্রস্থান পথে রাখতে হবে স্যানিটাইজার, সাবান ও জল।
পাশাপাশি প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা ও ভোটের প্রচারের ওপরও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বাড়ি বাড়ি প্রচার চালানোর সময় প্রার্থীর সাথে ৫ জনের বেশি যাওয়া যাবে না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুমতিসাপেক্ষে জনসভা এবং রোড শো এর আয়োজন করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, কমিশনের ওয়েবসাইটে গিয়েও প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। অনলাইনে ফর্ম ফিল আপ করে তাকে ডাউনলোড করে রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দিতে হবে। হলফনামা ও জামানত মূল্য জমা দেওয়া যাবে অনলাইনেই।
ইভিএম এবং ভিভি প্যাটের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। ইভিএম এবং ভিভি প্যাটের চেকিং বড়ো ঘরে করতে হবে। সেজন্য সরকারি কর্মীদের স্যানিটাইজার এবং গ্লাভস দেওয়া হবে। সমস্ত গাইডলাইন মানা হচ্ছে কিনা তা দেখতে সেখানে থাকবেন নোডাল অফিসার।
ভোটের ফলে যাতে সংক্রমণের হার আরও বেড়ে না যায় সেদিকে নিয়ন্ত্রণ রাখতেই এই সুরক্ষাবিধি জারি করল কমিশন।





